ঢাকা, বুধবার, ৫ পৌষ ১৪২৫, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

আমির আলীসহ নোয়াখালীর ৩ জনের ফাঁসি

মেহেদী হাসান ডালিম : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৩-১৩ ১১:৪৩:৪৮ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৩-১৪ ৮:০৯:১৪ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানবতাবিরোধী অপরাধের  মামলায় নোয়াখালী জেলার সুধারাম এলাকার আমির আলী, জয়নাল আবদিন ও পলাতক  আবুল কালাম ওরফে এ কে এম মনসুরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। অপর আসামি আব্দুল কুদ্দুসকে ২০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেত্বত্বে তিন সদস্যর বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম ও রেজিয়া সুলতানা চমন। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট গাজী এম এইচ তামিম ও অ্যাডভোকেট মাসুদ রানা।

এর আগে গতকাল আমির আলীসহ চারজনের মামলার রায়   ঘোষণার জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে রায় যেকোন দিন ঘোষণা করা হবে মর্মে রায় অপেক্ষমান রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলার আসামি ওই চারজনের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন আমির আহম্মেদ ওরফে রাজাকার আমির আলী, জয়নাল আবদিন ও আব্দুল কুদ্দুস এবং পলাতক রয়েছেন আবুল কালাম ওরফে এ কে এম মনসুর।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে নোয়াখালীর সুধারামে ১১ জনকে হত্যা-গণহত্যার তিনটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। ২০১৬ সালের ২০ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ চারজনের বিচার শুরু হয়। ২০১৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর থেকে গত বছরের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এ মামলায় পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন। 

২০১৫ সালের ৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানান প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম। ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে ওই দিনই নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রেপ্তার হন আমির আহম্মেদ ওরফে রাজাকার আমির আলী, জয়নাল আবদিন। পরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয় আব্দুল কুদ্দুসকে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৩ মার্চ ২০১৮/মেহেদী/ইভা

Walton Laptop
 
     
Marcel
Walton AC