ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ ভাদ্র ১৪২৪, ১৭ আগস্ট ২০১৭
Risingbd
শোকাবহ অগাস্ট
সর্বশেষ:

চিলেকোঠার সেপাই ও উনসত্তরের উত্থান-পতন

ইমাম গাজ্জালী : রাইজিংবিডি ডট কম
প্রকাশ: ২০১৭-০১-০৫ ১:৪৫:৪৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৭-০৮ ৬:২০:৫৫ পিএম

ইমাম গাজ্জালী : আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘চিলেকোঠার সেপাই’ নানা কারণেই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপন্যাস। উপন্যাসের যারা বিদগ্ধ পাঠক তারা এর নানা দিক নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা-সমালোচনা করেছেন। এর শৈল্পিক দিক ও আঙ্গিক দিক নিয়েও আলোচনা হয়েছে বিস্তর। উপন্যাসের সামাজিক বাস্তবতাও উঠে এসেছে অনেকের আলোচনায়। তবে আমার বিবেচনায় ষাটের দশকের বাংলাদেশ বুঝতে এই উপন্যাসের স্মরণ না নিলে তাদের বুঝতে পারাটা পূর্ণতা পাবে না।

 

রাজনীতির নানা ঘটনা পরম্পরা উঠে এসেছে এই উপন্যাসে। সেখানে চিত্রিত হয়েছে, একদল কীভাবে দিনের পর দিন ধরে বিনির্মাণ করে চলেছেন উনসত্তর। আবার তারাই হারিয়ে যাচ্ছেন; এর বিপরীতে উঠে আসে আরেক শক্তি। তারাই প্রবল বেগে প্রভাব বিস্তার করছেন সেই বিনির্মিত উনসত্তরের পাটাতনের ওপর। এর মাঝেও ফুটে উঠেছে মানুষের বৈশিষ্ট্য, চরিত্রের নানা দিক। গল্পে গল্পে এগিয়ে গেছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন সংগ্রাম। শত কুসংস্কার নিয়েও আন্দোলনে তুখোড় ভূমিকা নিচ্ছেন এক ‘প্রান্তিকজন’, আবার ‘আধুনিক শিক্ষা’ নিয়েও সেই ভূমিকা থেকে একটু দূরবর্তী অবস্থান নিচ্ছেন, শুধু তার শ্রেণি চরিত্রের কারণে। অন্ত্যজনের ভাষা, জীবন, লড়াই ও স্বপ্ন যেন বাঙময় হয়ে উঠেছে উপন্যাসে।

 

উনসত্তরের ঢাকার চিত্র পাওয়া যাবে নানা বর্ণনায়। সবচেয়ে বড় উপমা পাওয়া যায় মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ওসমানের কথায়। তিনি প্রায়ই বলে চলেন, ‘...সব রাস্তায় আগুন জ্বলছিল, নবাবপুরে আগুন, নীমতলীতেও আগুন। ফায়ার ব্রিগেডের বড় বড় গাড়ি থেকে বড় পাইপ দিয়ে জলধারা পড়ে রাস্তাঘাট ভেসে যাচ্ছে, কিন্তু আগুনের শিখা নিচে নামে না। দেখতে দেখতে সেই জলধারা পরিণত হয় নদীতে। সদরঘাট থেকে জনসন রোড, নবাবপুর থেকে নীমতলী পেরিয়ে মেডিকেল কলেজের সামনে দিয়ে স্যাভেজ রোড দিয়ে বুড়িগঙ্গা ছুটে চলেছে শাহবাগ এ্যভিন্যুতে। সেখান থেকে নদী ছোটে এয়ারপোর্টের দিকে। তার শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে যায় নীলখেতে, নিউমার্কেটের সামনে দিয়ে মিরপুর রোডে। নদীর ঢেউ এসে লাগে ধানমণ্ডির এ রাস্তায় সে রাস্তায়। কিন্তু আগুনকে এতটুকু দমাতে পারে না।...ওসমান ঠিকই টের পায় নদী এসেছে আগুনকে উস্কে দেবার জন্য। আগুনকে কদমবুচি করতে করতে নদী এগিয়ে যায়।’

 

তার এ কথাতেই যেন পূর্ণতা পায় উনসত্তরের ঢাকা। তার পরের দিন রেসকোর্সের ময়দানে ৭ মার্চের জনসভা নিয়ে ওসমানের বয়ান-

‘‘বলতে গেলে আগুন ও পানির পটভূমিতে বিশাল জনসভা দ্যাখার আশায় ওসমান পরদিন গেলো রেসকোর্সে। রেসকোর্সে দারুণ ভিড়। কয়েক লক্ষ মানুষ মিটিং শেষ করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বিশাল মাঠ পেরিয়ে লোকজন কাঠের রেলিং ডিঙিয়ে রাস্তায় নামছে। সবাই কথা বলছে, সবাই স্লোগান দিচ্ছে, ‘জেলের তালা ভেঙেছি, শেখ মুজিবকে এনেছি।’ এ চলন্ত সমাবেশে ১টি ছোট্ট ঢেউয়ের মতো দুলতে দুলতে ওসমান সামনে এগোয়। কিন্তু নাঃ! আগুন কোথায়? এই রেসকোর্স পার হয়ে শাহবাগ এ্যাভেন্যুতে সে দিন ছিলো বুড়িগঙ্গার স্ফীত প্রবাহ, তার ওপর জ্বলছিল আগুনের স্রোত। আজ কি আবার শুকনো ও নেভানে রাস্তা জেগে উঠলো? আগুন কোথায়? নদী কি শেষ পর্যন্ত আগুন নিভিয়ে ফের ফিরে গেছে নিজের খাতে? এই কয়েকদিনে কারফ্যু দিয়েও যে আগুন নেভানো যায়নি। আজ এতো মানুষ বেরিয়ে এলে কি সালার আগুন একেবারে নিভে গেলো?”

 

পূর্ববাংলায় ষাটের দশক হলো জাগরণের কাল। সেই জাগরণের নায়ক ছিল সে সময়ের তরুণ প্রজন্ম। তারাই প্রথম নতুন রাজনীতি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। সেই রাজনীতির নাম ‘বাংলাদেশ আন্দোলন’। সদ্য প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান থেকে মোহমুক্তি হতে সময় লাগেনি তাদের। একটি নতুন রাষ্ট্র গড়ে তোলার স্বপ্নে বিভোর ছিলো ওই প্রজন্ম। একটি গণতান্ত্রিক স্যেকুলার রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ার প্রত্যয় ছিল সেখানে। মুসলিম আত্মপরিচয়ে সন্তুষ্ট করতে পারেনি বলেই ভিন্ন আত্মপরিচয়ের সন্ধানে তোলপার হয়েছে ষাটের দশক। সেটি খুঁজতে গিয়ে তারা নির্মাণ করেছেন ভিন্ন রাজনীতির জমিন। সে জমিনে ছিল গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, স্যেকুলারিজম ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ। সেই রাজনীতির মধ্যে ছিল না লাহোর প্রস্তাব বাস্তবায়নের আকাঙ্ক্ষা। উল্লেখ্য, লাহোর প্রস্তাব ছিল দ্বি-জাতিতত্ত্বের জনক। তারা ‘স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান’ প্রতিষ্ঠা করতে চায়নি। এটা বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ছিল না, এটা ছিল স্বাধীনতার লড়াই। সেখানে নানা মতের পথের মানুষ এক হয়েছিলেন। কোনো কোনো মত ও পথ নেতৃত্বের সামনে চলে আসে, কোনো কোনো মত ও পথ ঢাকা পড়ে যায়। রাজনীতির কূট কৌশলের নানা চোরাবালিতে হারিয়ে যায়, এমন মতের পথের পথিক, যারা সত্যিকার অর্থেই গড়ে তুলেছিল স্বাধীকারের লড়াইয়ের পাটাতন।

এনিয়ে বিস্তর আলোচনা চলে দুই পক্ষে। একপক্ষে আনোয়ার অপর পক্ষে আলতাফ, মাঝখানে আলোচনায় অংশ নেয় ফরিদ। তাদের কথোপকথন—

 

“আনোয়ার : ভাষা, কালচার, চাকরি-বাকরিতে সমান অধিকার, আর্মিতে মেজর জেনারেলের পদ পাওয়া—এসব ভদ্র লোকের প্রব্লেম। এই ইস্যুতে ভোটের রাইট পাওয়ার জন্য মানুষের এত বড় আপসার্জ হতে পারে?

: পারে মানুষ গণতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করতে পারে।

: ভোটের রাইট পাওয়ার জন্য মানুষ প্রাণ দেবে?

: দেবে। স্বাধীনতা গণতন্ত্রের জন্য মানুষ যুগে যুগে প্রাণ দিয়ে এসেছে।

: ভোট দিলেই কি সব মানুষের গণতন্ত্র আসে?

: আসে। ভোট দেওয়ার অধিকার গণতন্ত্রের জন্য একটা বড় শর্ত। তোমরা ভোট নিয়ে তোমাদের প্রগ্রাম অনুসারে কাজ করতে পারবে।

...

ভোটে মিডল ক্লাসের লোক আসবে। দেশের অধিকাংশ মানুষের প্রব্লেম তারা বুঝবে কি করে?

: বেশ তো, আমরা না হয় মিডল ক্লাসের সমস্যাই সমাধান করার চেষ্টা করলাম। ফরিদের এই কথার সঙ্গে আলতাফ যোগ করে—

: সব দেশে মধ্যবিত্তই নেতৃত্ব দেয়। রেভ্যুলিউশনের লিডারশিপ মধ্যবিত্তের হাতে থাকে না? লেনিন কি প্রলেতারিয়েত? তোমাদের চৌ এন লাই?                                  

...

আনোয়ার একটু জোরে বলে কিন্তু পিপলের স্পনটিনিয়াস আপসার্জকে ভদ্র লোকের শখ মেটাবার জন্য ইউজ করার রাইট তোমাদের কে দিল? আপসার্জ তো আকাশ থেকে পড়ে নি। এর জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। এই প্রস্তুতি নেওয়ার কাজ করেছে কোন অর্গানাইজেশন। বলো, দিনের পর দিন মিটিং করে জেল খেটে...’’

 

ইতিহাসে ঢাকা পড়ে যায় তাদের অর্জন। কিন্তু ষাটের দশকের বিপ্লবী উত্থানের তেজ ধারণ করেছিল তারাই। তাদের নামই হয় চেংটু, হাড্ডি খিজির, আলী বক্স, কেরামত আলী। সেই মানুষ, সেই রাজনীতি সব কি বৃথা।

আনোয়ারের ভাষায়, ‘মানুষ কি রকম কনসাস আর মিলিট্যান্ট হয়ে উঠছে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। গ্রামের যারা মাথা, তিন জেনারেশন ধরে যারা ইনফ্লুয়েন্স খাটিয়ে আসছে, কর্নার্ড হতে হতে তাদের অবস্থা এরকম হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, ঘোরতর মুসলিম লীগারও পর্যন্ত শেখ মুজিবের রিলিজ চায়। না হলে তাদের সেভ করবে কে।’

 

গ্রামের ধনী জোতদার খয়বার গাজী। পুরুষাণুক্রমে তাদের প্রভাব। মানুষ খুন, অন্যের জমি হাতিয়ে নেয়া থেকে হেন কোনো অপকর্ম নাই যা সে করে নাই। দরিদ্র চাষীদের গরু চুরির হোতাও এই খয়বার গাজী। তার বিচার হয় গণ-আদালতে। বিচারে তার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়। রায় কার্যকর করার জন্য প্রস্তুত চেংটু। তার কয়েক পুরুষ খয়বার গাজীর অনুগত। চেংটু যখন কুড়াল নিয়ে দাঁড়িয়ে যায়, তখন ‘এইবার খয়বার গাজী মুখ তুলে চেংটুর দিকে সরাসরি তাকাবার চেষ্টা করে। তার ধারণা চেংটুর সঙ্গে চোখাচোখি হলে চাষার ছেলে একটু দমে যাবে। কিন্তু খয়বারের চোখ নিষ্প্রভ, সে দৃষ্টি বঞ্চিত হয়ে এদিক ওদিকে ঘুরে হুমড়ি খেয়ে পড়ে নিচের দিকে। পান জরদায় খয়েরি ঠোঁটজোড়া খুব কাঁপছে, কাঁপন থেকে মনে হয় না সেগুলো কোনো শব্দ বের করতে সক্ষম।’

 

আসলে বিপ্লব মনেই চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস। সেই সাহস অর্জন করেছিল এই গণ্ডমুর্খ চাষার ছেলে চেংটু। বরং প্রভাবশালী খয়বারও তার দিকে তাকাতে সাহস পাচ্ছিল না।

পরে আন্দোলন দানা বেধে ওঠে ঠিকই, দিকে দিকে স্লোগান ছড়িয়ে পড়ে, ‘তোমার আমার ঠিকানা —পদ্মা মেঘনা যমুনা।’ এর পাশাপাশি লাশ পড়ে যায় চেংটুর। পুলিশের গুলিতে নিহত হন হাড্ডি খিজির। নিহত হয় আলী বক্স।

কী করে এত বড় একটি শক্তির উদ্বোধন হলো, আবার কি করেই বা তা হারিয়ে গেল। সে কি শুধুই প্রতিবিপ্লবের ফলাফল। নাকি তাদের নেতৃত্বহীন ও দিশাহীন রাজনীতির কারণে এভাবে হারিয়ে যাওয়া, নাকি ভ্রান্ত রাজনৈতিক চোরবালিতে নির্বাপিত হল সবকিছু, নাকি তারা শ্রেণি প্রশ্নের সঙ্গে জাতিগত নিপীড়নের সম্পর্কের সমীকরণ মেলাতে পারেন নি? সেটা ব্যাখ্যা করবেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ, কিন্তু এই উপন্যাসে তার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায় না। কারো দীর্ঘশ্বাসে সে বেদনার প্রকাশ নেই।

 

সে সময়ও দেশের আমলাদের মেরুদণ্ড বোঝা যায় একটি ঘটনায়। তরুণ সেকশন অফিসার যখন আত্মীয়ের বাসা থেকে ট্যাক্সি যোগে নবপরিণীতাকে সঙ্গে নিয়ে ফিরছিলেন, তখন বেশ রাত। ট্যাক্সি চালচ্ছিলেন হাড্ডি খিজির, সে গণ-আন্দোলনের তুখোর কর্মী। ট্যাক্সিটি যখন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পার হচ্ছিল, তথন এনএসএফের গুণ্ডারা তার ট্যাক্সি থামায়। গুন্ডারা ট্যাক্সি থেকে সেকশন অফিসারের নববধূকে তুলে নিয়ে যায় স্ফুর্তি করার জন্য।

এ সময় হাড্ডি খিজির সেকশন অফিসারকে বলেন, ‘চলেন স্যার, থানাই যাই গিয়া, নীলক্ষেত ফাড়িতো কাছেই। লোকটি ফ্যাল ফ্যাল করে তাকায়।’

খিজির ফের বলে, ‘অহনও টাইম আছে, থানায় চলেন। লোকটি ফোপাতে ফোপাতে জবাব দেয়, ‘এদের চেনো? এরা এনএসএফের গুণ্ডা, আইয়ুব মোনেম খানের বার্স্টার্ড এরা।’

খিজির তাড়া দেয়, ‘লন যাই, ইউনিভার্সিটির এতগুলি হল এহানে, পোলাপানেরে খবর দেই, চলেন স্যার।’

লোকটার ফোপানো কণ্ঠস্বর ফের গুমড়ে ওঠে, ‘না, তা হয় না। আরো বিপদ হবে। ওরা এক ঘণ্টা ওয়েট করতে বলল না? এসে আমাকে না পেলে ফায়ার হয়ে যাবে। চাকরি-বাকরির কথা সব বলে ফেললাম, শুয়োরের বাচ্চারা আমার ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেবে।’

 

ষাটের দশকের সবচেয়ে চরমতম অবস্থান ছিল উনসত্তরের গণ-অভুত্থান। ষাটের দশকের বিপ্লবী প্রজন্মের উত্থানের ফলাফল হল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। কিন্তু উনসত্তর ও একাত্তরের মাঝে কী যেন একটা তফাত ছিল। সে সময়ের উত্থানের মূল নায়কেরা যেন কোথায় হারিয়ে গেল। কী এক অজানা ঝড়ে তাদের আর হদিস পাওয়া যায় না। তাদের সকলেই একজন চেংটুর মতই লাশ হয়ে যায়।

মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু কারো জন্য সময় অপেক্ষা করে না। উনসত্তরকে না বুঝলে একাত্তরে পৌঁছানো সম্ভব নয়। উনসত্তর এবং একাত্তরের এই প্রভেদ বোঝা দরকার নানা কারণেই। বিশেষত, উনসত্তরের মূল পাটাতন নির্মাতাদের হারিয়ে যাওয়া আর আরেক শক্তির উত্থান বোঝা জরুরি। যাকে নানা অপকর্মের জন্য মানুষ গণ-আদালত বসিয়ে মৃত্যুদণ্ড দিচ্ছে, আরেক শক্তির আবির্ভাবে তারা ছাড়া পাচ্ছে আর লাশ পড়ছে চেংটু আর আলী বক্সের।

 

উনসত্তরকে যারা বুঝতে চান তাদের জন্য আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের এই উপন্যাস। উনসত্তরকে বোঝার জন্য এমন উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে বিরল। একে উনসত্তরের মহাকাব্য বললে হয়ত অত্যুক্তি হবে না।

 

লেখক : সাংবাদিক ও গদ্যকার

 

 

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/৫ জানুয়ারি ২০১৭/তারা

Walton Laptop