ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৩ নভেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:
তিব্বতের স্বাধীনতার দাবি ত্যাগ করলেন দালাই লামা        সর্বত্র বাংলা ভাষার প্রচলনে হচ্ছে ‘ভাষানীতি’        ‘রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন মানবতাবিরোধী অপরাধ’        কেরানীগঞ্জে ৩০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র করবে যুক্তরাষ্ট্র        ‘গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে সেনাবাহিনী অবদান রাখবে’        মির্জা ফখরুলের দুই মামলা হাইকোর্টে স্থগিত        রোহিঙ্গা ফেরতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর        ২ কোটি টাকার বেশি থাকলে দিতে হবে সারচার্জ        মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের        মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায় চীন       

বৃহস্পতিবার আদালতে যাবেন খালেদা জিয়া

এমএ খান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০১-১১ ৬:২৭:২৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০১-১১ ৬:২৭:২৮ পিএম
ফাইল ফটো

নিজস্ব প্রতিবেদক : জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাজিরা দিতে বৃহস্পতিবার আদালতে যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বুধবার বিকেলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া রাইজিংবিডিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সানাউল্লাহ মিয়া জানান, আইন ও আদালতের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধাশীল খালেদা জিয়া। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে ম্যাডাম আদালতে যাবেন।

পুরান ঢাকার বকশিবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের আদালতে মামলা দুটির বিচার কাজ চলছে।

মামলা দুইটির মধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাষ্ট্র মামলায় খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ শুনানিতে অসমাপ্ত বক্তব্যের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। আর অরফানেজ ট্রাষ্ট মামলায় দুদকের প্রাক্তন পরিচালক এই ঘটনার প্রথম অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদের সাক্ষ্য নেওয়ার জন্য দিন ধার্য রয়েছে। তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের পক্ষে আত্মপক্ষ শুনানি হবে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাষ্ট মামলায় গত ১ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ শুনানি করেন। আত্মপক্ষ শুনানিতে তিনি নিজেকে সম্পূন্নভাবে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি তার পক্ষে সাফাই সাক্ষি দিবেন বলেও আদালতকে জানান। এরপর তিনি আদালতে একটি লিখিত বক্তব্য দেন। ওইদিন তার বক্তব্য শেষ হয়নি।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

মামলাটিতে বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ এর নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।

এতিমদের জন্য বিদেশি থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া অরফানেজ মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়।

২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।

আসামি তারেক রহমান সরকারের নির্বাহী আদেশে দেশের বাইরে আছেন। মাগুরার প্রাক্তন এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ জামিনে আছেন। ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু হতেই পলাতক।

দুই মামলায় খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করেন।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১১ জানুয়ারি ২০১৭/এমএ খান/সাইফ

Walton