ঢাকা, শুক্রবার, ১০ চৈত্র ১৪২৩, ২৪ মার্চ ২০১৭
Risingbd
মার্চ
সর্বশেষ:

ভূমিকম্পের ক্ষতি কমাতে বিল্ডিং কোড মানা জরুরি

আশরাফ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০১-০৮ ৫:৩০:৩১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০১-১৪ ১০:৪১:২০ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. রিয়াজ আহমেদ বলেছেন, জাতীয় বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ করলে ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।

 

রোববার রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘ভূমিকম্প প্রতিক্রিয়া প্রস্তুতি: সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

বেসরকারি সংস্থা অ্যাকশন এইড ও ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড রেসপন্স ইনিশিয়েটিভ (এনএআআরআই) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

 

অনুষ্ঠানে রিয়াজ আহমেদ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আমরা সব সময় বন্যাকেই প্রাধান্য দিয়েছি। এ ছাড়া প্রতিরোধে আমরা অনেকাংশে সফল হয়েছি। বর্তমানে আমাদের সামনে ভূমিকম্প একটি বড় হুমকি। ভূমিকম্পে প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বর্তমান সরকার খুবই সোচ্চার।

 

তিনি বলেন, ভূমিকম্পের সময় করণীয় জানাতে একটি প্রশিক্ষণ ফার্ম চালুর কাজ চলছে। কিছুদিনের মধ্যে এর কার্যক্রম শুরু হবে। এর মাধ্যমে ভূমিকম্প সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব হবে।

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ৩ বছর আগেও ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার কাজের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি আমাদের ছিল না। ইতিমধ্যে ২২০ কোটি টাকার ভারি যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। আগামীতে আরো ৫০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনা হবে। এ ছাড়া বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ‘আরবান রিসাইলেন্স’ নামের একটি প্রকল্পের কাজ চলছে।

 

তিনি বলেন, ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার কাজে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানিতে বেসরকারি সংস্থাগুলোকে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। এ লক্ষ্যে এসব যন্ত্রপাতির ওপর ভ্যাট ও ট্যাক্স কমানো উচিত সরকারের।

 

অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের পরিচালক ফারাহ কবিরের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান, আরবান রিসাইলেন্স প্রকল্পের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার ড. তারিক বিন ইউসুফ প্রমুখ।

 

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অ্যাকশন এইডের প্রোগ্রাম ম্যানেজার এ এম নাসির উদ্দিন।

 

প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, দুর্যোগ ঝুঁকির দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। নগর ঝুঁকির দিক দিয়ে ১১তম। এখন বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ শহরে বাস করে। ২০৩০ সালের মধ্যে সেটি হবে ৫০ শতাংশে উন্নীত হবে। এতে ঝুঁকির মাত্রা আরো বাড়বে। ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ মোকাবিলা এবং ঝুঁকির মাত্রা কমিয়ে আনার সঠিক পরিকল্পনা বাংলাদেশে নেই। সঠিক জ্ঞান ও পরিকল্পনার অভাবে সরকার, সিটি করপোরেশন, রাজউক ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় খুবই কম। সরকারি, বেসরকারি এবং আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর মধ্যেও সমন্বয়ের ঘাটতি আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশে দুর্যোগ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। এখানে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবলের সংখ্যাও খুবই কম।

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/৮ জানুয়ারি ২০১৭/আশরাফ/হাসান/সাইফ

Walton Laptop