ঢাকা, রবিবার, ৬ কার্তিক ১৪২৪, ২২ অক্টোবর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

সাত খুন : আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের রায় রোববার

মেহেদী হাসান ডালিম : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৮-১২ ৪:৩০:৪৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৮-১৩ ৩:১৪:০৩ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় আসামিদের করা আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের রায় আগামীকাল রোববার ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি ভবানী প্রসাদসিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেবেন।

এর আগে গত ২৬ জুলাই সাত খুন মামলার আসামিদের করা আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে রায়ের জন্য বিচারকরা এদিন ধার্য করেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী, এস এম শাহজাহান ও মো. আহসান উল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সরোয়ার কাজল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ।

এর আগে গত ১৯ জুলাই সাত খুন মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষ করেন। শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখার আর্জি জানান।

অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড ছিল পূর্বপরিকল্পিত। তাই মামলার রায়ের মধ্যে দিয়ে যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে আসে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের নাটের গুরু নূর হোসেন। তাই তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হতে হবে।’ তিনি এই হত্যাকাণ্ডের রায়ে দৃষ্টান্তমূলক সাজা প্রত্যাশা করেন।

গত ২২ মে সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হয়।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নূর হোসেনসহ আসামিদের নিয়মিত ও জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।

গত ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নুর হোসেন, তারেক সাঈদসহ আসামিরা খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল দায়ের করেন।

গত ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুনের মামলায় প্রাক্তন কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাবের প্রাক্তন কর্মকর্তা লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদসহ ২৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বাকি নয় আসামির সবাইকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন। তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ভেসে ওঠে ছয়টি লাশ। পরের দিন মেলে আরেকটি লাশ। নিহত অন্যরা হলেন- নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহীম।

ঘটনার এক দিন পর কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বাদী হয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা (পরে বহিষ্কৃত) নূর হোসেনসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১২ আগস্ট ২০১৭/মেহেদী/মুশফিক

Walton
 
   
Marcel