ঢাকা, বুধবার, ৫ মাঘ ১৪২৩, ১৮ জানুয়ারি ২০১৭
Risingbd
 
সর্বশেষ:

সাহিত্যে বেদনার বছর ২০১৬

সাইফ বরকতুল্লাহ :  আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে..তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে’।

সাহিত্যে বছরজুড়ে যারা পুরস্কৃত হলেন

সাইফ বরকতুল্লাহ : স্মৃতি হয়ে গেল আরেকটি বছর। বছরজুড়ে ছিল ঘটনার ঘনঘটা। কখনও প্রাপ্তির আনন্দ, কখনও অপ্রাপ্তির বেদনা, সাফল্য-ব্যর্থতা, কখনও আবার অপার বিস্ময়, কখনও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে যে সংবাদ- সেসব পাঠকদের আরেকবার স্মরণ করিয়ে দিতেই আমাদের এ আয়োজন।

রজনীগন্ধাপুর : দ্বিতীয় পর্ব

আমার যুদ্ধটা শুরু হয়।

আমি নিজের কথা ভাবি না, মিলিয়ার কথা ভাবি। মিতুয়া আর অপুর কথা ভাবি। পুত্র হারিয়ে আমি হয়েছি এক রকমের ধ্বংস, স্বামী হারিয়ে মিলিয়া হয়েছে আরেক রকম।

ছোটগল্প || পরম্পরা

|| ফিরোজ আলম ||

 

মফস্বল শহরের ছোট্ট রেলস্টেশন।

দুপাশে সবুজের সমারোহ নিয়ে ছুটে আসা রেললাইনটা হঠাৎ বিরাম চিহ্নের মতো স্টেশনটিতে থেমে গেছে। নাম তার ‘নিদপুর’।

পুচি বুচি ও একটি গ্রেনেড

|| ইমন চৌধুরী ||

 

‘যাবি?’ বেশ উৎফুল্ল কণ্ঠে ছোটভাই পলাশকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন ছুঁড়ে বাবলু।

‘কোথায়?’

আয়ুপথের আলোয় এক রাত

।। ফজলুল কবিরী ।।

রাতের অন্ধকারে গলা খাকারির আওয়াজ পেয়ে মুনাফ আলীর পোয়াতি বউয়ের তন্দ্রাচ্ছন্নতা নিমেষেই কেটে যায়।

মুক্তিসংগ্রামের গল্প : ঈমাম সাহেব

|| হুমায়ূন শফিক ||

 

সাত-আটজন যুবকের হাত পিছনে নিয়ে শক্ত দড়ি দিয়ে শক্ত করে বেধে উপুর করে শুইয়ে রাখা হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে তাদের বলি দেওয়া হবে।

মিয়াছদ্দিনের ফেরা না ফেরা

||মিলন আশরাফ ||

‘ও মেজে বু, শুনচিস। ও বু, গিরাম থেইকে নাকি জোয়ান তাগড়া ছুড়াদের ধরে নিয়ে যাচ্চে!’

‘হ্যাই গো বু। সাতে নোতন বও, শ্যাইনা মেয়েদেরও রিহায় দেচ্চে না শুনলাম।’

জন্মপাপ

|| সাব্বির জাদিদ ||

গোসলে ঢোকার পর সাইফের মনে পড়ে ফুলের টবে পানি দেওয়া হয়নি আজ। যদিও ফুলের টবে পানি দেওয়াটা ঘরের কাজ এবং ঘরের কাজগুলো তার স্ত্রী-ই করে সবসময়।

সাক্ষী

|| অনার্য মুর্শিদ ||

আজ ক'দিন ধরেই তুষারের শরীরটা খারাপ যাচ্ছে। কিছুক্ষণ পরপরই জ্ঞান হারাচ্ছে সে। তাকে সামলাতে বাড়ির মানুষ ব্যস্ত।

ডিলানের নোবেল ভাষণ

সুশীল সূত্রধর : ১০ ডিসেম্বর এ বছরের নোবেলজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সাহিত্যে নোবেলজয়ী বব ডিলান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।

সে রহে বিরহে, হাহাকারে, ভালোবাসায় || টোকন ঠাকুর

ইচ্ছে পেতে রেখে অপেক্ষায় ছিল পথ, সেই পথে ভালোবাসা আসবে, এরকমই মনে হচ্ছিল। তাই তরুণ কবি দূরের কাশবন হয়ে ছিল।

নায়ক

।। সাইফুল্লাহ সাইফ ।।

লোকটি নিরীহ আবার একরোখাও। এমন পরস্পরবিরোধী দ্বৈতসত্তা যেন একটি উদাসীন শিকারী বাঘ শিকার না করে ক্ষুধার্ত থেকে থেকে কষ্টের উপলব্ধি বাড়াচ্ছে-এটিই তার নৈতিকতা।

একটি আত্মত্যাগের উপাখ্যান ও আত্মবিস্মৃতিপরায়ণ জাতি

ফেরদৌস জামান : তখন হাইস্কুলে পড়ি। বাড়িতে জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজের পাশাপাশি স্থানীয় দৈনিক করতোয়া রাখা হতো।

মন ভালো নেই, অক্ষরের গায়ে ঝরাপাতার গন্ধ

শিহাব শাহরিয়ার : তখন দুপুর গড়িয়ে গেছে। অফিসে নিজের কক্ষে বসে কম্পিউটারে কাজ করছি; আমার সহকর্মী কঙ্কন কান্তি বড়ুয়া দরোজা খুলে কক্ষে ঢুকে বললেন, ‘শাকিল মারা গেছে’।