ঢাকা, বুধবার, ৮ ভাদ্র ১৪২৪, ২৩ আগস্ট ২০১৭
Risingbd
শোকাবহ অগাস্ট
সর্বশেষ:

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত

ইয়াছিন মোহাম্মদ সিথুন : রাইজিংবিডি ডট কম
প্রকাশ: ২০১৭-০৮-১২ ৬:৪৩:১৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৮-১২ ৬:৪৩:১৮ পিএম

নীলফামারী প্রতিনিধি : ভারি বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীতে বন্যা দেখা দিয়েছে।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার (৫২ দশমিক ৪০ মিটার) ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীবেষ্টিত নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভবিক রাখতে তিস্তা ব্যারাজের সব (৪৪টি) স্লুইচ গেট (জলকপাট) খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

তিস্তার বন্যায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখাড়বাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গয়াবাড়ী ও জলঢাকার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী, শৌলমারী এবং কৈমারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার ২২টি চরের, নদীবেষ্টিত এলাকার প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

এ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা, কালিগঞ্জ উপজেলার নদী বেষ্টিত চর ও চরের গ্রামগুলোর কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন।

উপজেলার ঝুনাগাছ চাঁপানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান জানান, ফরেস্ট চরের ১৫টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ওই পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে।

পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বলেন, ঝাড়সিংশ্বর এলাকাসহ জলঢাকার ডাউয়াবাড়ী, হলদিবাড়ী, গোপালঝাড় ও আলসিয়া পাড়ার বাড়িগুলো হাঁটু পানিতে তলিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীতে শনিবার সকাল ৯ টায় বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক মো. খালেদ রহিম বলেন, আমরা সবসময় খোঁজখবর রাখছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমানে খাদ্য ত্রাণ ভাণ্ডারে মজুদ রয়েছে। তালিকা করে বন্যাদুর্গতদের মাঝে বিতরণ করা হবে।



রাইজিংবিডি/নীলফামারী/১২ আগস্ট ২০১৭/ইয়াছিন মোহাম্মদ সিথুন/রুহুল

Walton Laptop