ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ আশ্বিন ১৪২৫, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

নরসিংদীতে হাইওয়ে পুলিশ ও এলাকাবাসীর সংঘর্ষ

গাজী হানিফ মাহমুদ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৯-১৪ ৬:০৪:৫৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৯-১৪ ৬:০৪:৫৬ পিএম

নরসিংদী সংবাদদাতা : নরসিংদীতে হাইওয়ে পুলিশ ও এলাকাবাসীর সংঘর্ষে দুই পুলিশ সদস্যসহ চারজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুর উপজেলার চৈতন্যা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, ইটাখোলা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল বেলাল মিয়া (৩০) ও মাহবুব মিয়া (৩২) এবং চৈতন্যা এলাকার খোরশেদ মিয়ার ছেলে অহিদুল্লাহ (৩০) ও একই এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে মোহন মিয়া (৪০)।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ইটবাহী একটি ট্রাক্টর মহাসড়কে উঠলে ইটাখোলা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ট্রাফিক পরিদর্শক জুলহাসের নেতৃত্বে একটি দল সেটিকে আটকায়। এ সময় পুলিশ ট্রলিচালককে মারধর করলে এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন হাইওয়ে পুলিশ সদস্য বেলাল ও মাহবুবকে আটক করে মারধর করে এবং তাদের রাইফেল ছিনিয়ে নেয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের আরেকটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে আটক পুলিশ সদস্যদের ছাড়িয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাটি শিবপুর মডেল থানাকে জানালে থানা পুলিশ ছিনিয়ে নেওয়া অস্ত্র উদ্ধার করে। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী জেলা হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সংঘর্ষে দুই এলাকাবাসী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করলেও পুলিশ গুলি ছোড়ার ঘটনা অস্বীকার করছে। আহতদের শরীরে গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরাও।

নরসিংদী জেলা হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শামীমা ইয়াসমি বলেন, আহতদের কারও শরীরে গুলির চি‎হ্ন পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ট্রাক্টর আটকের ঘটনা নিয়ে হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই পুলিশ সদস্যসহ চারজন আহত হয়। সংঘর্ষের সময় এলাকাবাসী পুলিশের দুটি অস্ত্র ছিনতাই করেছিল। আমরা তা উদ্ধার করে তাদের কাছে হস্তান্তর করেছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




রাইজিংবিডি/নরসিংদী/১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮/গাজী হানিফ মাহমুদ/শাহেদ

Walton Laptop
 
     
Walton