ঢাকা, শুক্রবার, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫, ২০ জুলাই ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীর হার দ্রুত বাড়াতে হবে

আবু বকর ইয়ামিন : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৪-১৭ ২:৪৫:০৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৪-২৫ ১০:১৩:১০ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : কারিগরি শিক্ষাকে আরো জনপ্রিয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীর হার দ্রুত বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষার ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হবে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার ঢাকায় পরিবহন পুল ভবনে কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার কিন্তু কারিগরি শিক্ষা হলো অগ্রাধিকারের অগ্রাধিকার। আমাদের বিপুল পরিমাণ তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বর্তমানে যারা তরুণ, চিরকাল তারা তরুণ থাকবে না। এখনই তাদের দক্ষতা দিতে হবে। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমেই তরুণদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা দেওয়া সম্ভব। এরা দেশে-বিদেশে কাজ করতে পারবে।

তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বে ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারিগরি ট্রেডে পড়াশোনা করে। আমাদের দেশেও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীর হার দ্রুত বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে ভিশন ২০২১ অর্জন করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে জনপ্রিয় করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করার যে লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে, তা অর্জনের জন্য কারিগরি শিক্ষা বিস্তারের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য ন্যাশনাল স্কিলস ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল পুনর্গঠন করে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে কারিগরি শিক্ষায় ১৪ শতাংশ ভর্তি হার নিশ্চিত করেছি। সরকার এই হার ২০২০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ ও ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ করার জন্য নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতি উপজেলায় একটি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, যেসব জেলায় বর্তমানে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট নেই, সেই ২৩টি জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে এবং বিভাগীয় শহরে আরো ৪টি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের এই সব উদ্যোগ দেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দক্ষ জনশক্তিই পারে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়িয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৭ এপ্রিল ২০১৮/ইয়ামিন/এসএন

Walton Laptop
 
     
Walton