ঢাকা, শনিবার, ১১ চৈত্র ১৪২৩, ২৫ মার্চ ২০১৭
Risingbd
মার্চ
সর্বশেষ:

সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দ্বীপ

আহমেদ শরীফ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৩-২১ ১০:৩৯:৫৮ এএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৩-২৪ ২:২৪:৩৩ পিএম

আহমেদ শরীফ : কেনিয়ার লেক ভিক্টোরিয়ায় ছোট্ট একটি দ্বীপ মিগিনগো। মাত্র ০.৪৯ একরের এই দ্বীপে অফিশিয়ালি ১৩১ জনের বসবাস করার তথ্য থাকলেও সেখানে এখন প্রায় ১ হাজারের মতো মানুষ বসবাস করে। আর তাই এটি বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দ্বীপ।

 


দ্বীপটির উপরিভাগ পুরোটাই টিনের তৈরি ছোট ছোট ঘরে ঢাকা। তাই এটি ‘লোহা আবৃত দ্বীপ’ নামেও পরিচিত। দ্বীপটির ইতিহাস নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি এখনো। কেউ কেউ বলেন ১৯৯১ সালে কেনিয়ার দুই জেলে ডালমাস টেম্বো ও জর্জ কিবেবে প্রথম বসতি গড়েন ওই দ্বীপে।

 


আবার অনেকের মতে, উগান্ডার জোসেফ উনসুবুগা প্রথম ওই দ্বীপে গেছেন। পরে জেলেদের নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছেন। এ কারণে মাছের ব্যাপক আবাসস্থল এই দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে পার্শ্ববর্তী দুই দেশ কেনিয়া ও উগান্ডার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। ভৌগোলিক দৃষ্টিকোণ থেকে মিগিনগো কেনিয়ারই অন্তর্গত। এই দ্বীপ নিয়ে দুই দেশের দ্বন্দ্বটা ‘আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচিত।

 


২০০৮ সালে উগান্ডা যখন দেশটির সেনাবাহিনীকে পাঠিয়ে কেনিয়ার  জেলেদের উচ্ছেদ করে দ্বীপটি দখলের  উদ্যোগ নেয়, তখন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর আরো কয়েকবারই উত্তেজনা দেখা দেয় দ্বীপটিকে ঘিরে। তবে গত বছর দুই দেশ একটি চুক্তি করেছে। দুই দেশই জেলেদের কাছ থেকে কর আদায় করছে। আর জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে জেলেদের রক্ষায় দুই দেশই দ্বীপটিতে পুলিশ পাঠায় এখন। তাই বর্তমানে মিগিনগো দ্বীপে কেনিয়া ও উগান্ডার জেলেরা শান্তিতেই বসবাস করছে।

 


২০০৯ সালে সেখানে সরকারি এক জরিপে ১৩১ জন বসবাস করছে জানা গিয়েছিল, যা ওই ছোট্ট দ্বীপটির জন্য যথেষ্ট। তবে সম্প্রতি আরেক জরিপে দেখা গেছে, সেখানে প্রায় ১ হাজারের মতো মানুষ আছে। তবে বেশি মানুষ হওয়ায় ধীরে ধীরে দ্বীপটিতে মাছের জোগান কমে যাচ্ছে। তাই জেলেদের কেউ কেউ এখন অন্য দ্বীপে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছে।

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/২১ মার্চ ২০১৭/ইভা/এএন

Walton Laptop