ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৪২৫, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

জনপ্রিয়তা বাড়ছে সাইকেলের

মহিউদ্দিন অপু : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৯-০২-১২ ৮:০৭:৩১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০২-১২ ৮:০৭:৩১ পিএম

মহিউদ্দিন অপু : সাইকেলের সঙ্গে আমরা সকলেই পরিচিত। পায়ে চালানো দুটি চাকা বিশিষ্ট এই বাইনকে ইংরেজিতে বাইসাইকেল বলা হলেও বাংলায় শুধু সাইকেল বলেই অভিহিত করা হয়।

সাইকেলে সাধারণত তেমন কোনো ইলেক্ট্রনিক মেশিন থাকে না। পায়ের মাধ্যমে শারীরিক শক্তি প্রয়োগ করে (প্যাডেল দিয়ে) চেইনের মাধ্যমে চাকা ঘুরিয়ে সাইকেল বাহন চালাতে হয়। বর্তমান সময়ে নিত্যনতুন প্রযুক্তির বদৌলতে তৈরি হচ্ছে আধুনিক অনেক সাইকেল। যাতে কমবেশি ইলেকট্রনিক মেশিনের ব্যবহারও লক্ষ্য করা যায়।

উইকিপিডিয়া বলছে, উনিশ শতকে ইউরোপে বাইসাইকেল বাহনের উদ্ভব হয়। তবে বাইসাইকেল শব্দটি প্রথম ১৮৪৭ সালে ব্যবহৃত হয় একটি ফরাসি প্রকাশনায়। যেখানে দুই চাকার একটি গাড়ির অজ্ঞাত পরিচয় বর্ণনা করতেই সম্ভবত তখন বাইসাইকেল শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল বলেই বিজ্ঞজনরা ধারণা করছেন।

জানা যায়, জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত মোট ১৯৩টি দেশ কর্তৃক গত ১২ এপ্রিল ২০১৮ সাধারণ সভায় ৩ জুন বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সাইকেলিং গ্রুপের সচেতনামূলক কার্যক্রমের দরুন পরিবেশবান্ধব এই বাহনের জনপ্রিয়তা অধিক লক্ষণীয়। নগরে সাইকেলের প্রচলন বৃদ্ধি পেলে যানজট ও দূষণ সমস্যা লাঘবে সাইকেল বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলেই ঢাকা শহরসহ সারাদেশে সাইকেলের জনপ্রিয়তা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বরগুনা সাইকেল ক্লাবের আহবায়ক ও সাইক্লিস্ট মো. রাকিব ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সাইকেল নামক এই বাহনটি পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব। এছাড়াও সাইকেল চালানো স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। ফলে প্রতি দিনই বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে সাইকেল বাহনের ব্যবহার।

সামাজিক সংগঠন উৎসর্গ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ঢাকার সাইক্লিস্ট শেখ শাহরিয়ার পান্না। তিনি বলেন, নিয়মিত সাইকেল চালানোর মাধ্যমে সুস্থতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। সাইকেল বাহনটি যথার্থ পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানীমুক্ত। এছাড়াও সাইকেল ভূমি সাশ্রয়ী ও ব্যয় সাশ্রয়ী। এই বাহন সব বয়সী শিশু ও নারী-পুরুষ সকলের কাছেই খুব প্রিয় বলেও জানান তিনি।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯/ফিরোজ

Walton Laptop
 
     
Marcel
Walton AC