ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫, ১৯ জুলাই ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

সোমবার আদালতে যাবেন না খালেদা জিয়া

মামুন খান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০১-১৪ ৭:৩৯:৫৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০১-১৪ ৭:৩৯:৫৫ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : নাইকো দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আগামীকাল সোমবার আদালতে যাবেন না বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

রোববার বিকেলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানিয়েছেন, শুনানির জন্য আইনজীবীদের প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ায় খালেদা জিয়া আদালতে যাবেন না। তবে পরবর্তী শুনানির দিনে খালেদা জিয়া আদালতে উপস্থিত থাকবেন।

পুরান ঢাকার বকশীবাজারস্থ কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মাহমুদুল কবীরের আদালতে মামলাটি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য ধার্য রয়েছে।

মামলাটিতে ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া (সিলভার সেলিম), জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, বাপেক্সের প্রাক্তন সচিব মো. শফিউর রহমান এবং প্রাক্তন জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইনের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা অভিযোগ শুনানি করে তাদের অব্যাহতির আবেদন করেছেন। আর খালেদা জিয়াসহ ছয় আসামির পক্ষে অভিযোগ শুনানি হয়নি।

উল্লেখ্য, এতদিন মামলাটি পুরান ঢাকার নিম্ন আদালতে বিচারাধীন ছিল। গত ৮ জানুয়ারি আইন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নাইকো দুর্নীতি মামলাসহ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৪টি মামলার কার্যক্রম বকশীবাজারের ওই আদালতে চলবে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, এসব মামলার বিচার কার্যক্রম চিফ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। ওই ভবনে বহু আদালতের বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় আদালত চলাকালে এলাকাটি জনাকীর্ণ থাকে। তাই নিরাপত্তাজনিত কারণে কোর্ট অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ১৮৯৮-এর সেকশন ১১-এর সাব সেকশনে (২-এ) প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মহানগর হাকিম আদালত নম্বর ৭-এর এই পিটিশন মামলাটির বিচার কাজ পরিচালনার জন্য ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসার ভবনটি অস্থায়ী আদালত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

ওই আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা দুটির বিচারকাজ চলছে।

প্রসঙ্গত, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডার কোম্পানি নাইকোর হাতে তুলে দিয়ে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগে মামলাটি করা হয়। ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করে দুদক। মামলাটি তদন্তের পর ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

মামলাটিতে খালেদা জিয়া ছাড়াও ১০ জন আসামি রয়েছেন। অপর আসামিরা হলেন- চার দলীয় জোট সরকারের আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ, প্রাক্তন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তখনকার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, প্রাক্তন জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের প্রাক্তন মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের প্রাক্তন সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া (সিলভার সেলিম) এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।


রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৪ জানুয়ারি ২০১৮/মামুন খান/রফিক

Walton Laptop
 
     
Walton