ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ ভাদ্র ১৪২৫, ২১ আগস্ট ২০১৮
Risingbd
শোকাবহ অগাস্ট
সর্বশেষ:

কর্মী সংগ্রহ করাই সুমনের কাজ

মাকসুদুর রহমান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০২-১১ ৫:২৮:১৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০২-২৫ ৯:১১:১৬ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর কমলাপুর এলাকা থেকে মো. তৌফিক হোসেন ওরফে সুমনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। সুমন নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের জন্য কর্মী সংগ্রহের কাজ করে আসছিলেন। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে উগ্রবাদী বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়।

রোববার বিকেলে র‌্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন জানান, শনিবার রাতে কমলাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

র‌্যাব দাবি করছে, সুমন ১৯৯৮ সালে খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০০০ সালে বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে। ২০০৫ সালে সুইজারল্যান্ড থেকে ফরাসি ভাষার ওপর কোর্স করেন এবং ২০০৯ সালে সুইস হোটেল ম্যানেজমেন্ট স্কুল সুইজারল্যান্ড থেকে হোটেল ম্যানেজমেন্টের ওপর ডিগ্রি অর্জন করেন। সুইজারল্যান্ডে থাকাকালীন মধ্যপ্রাচ্যের কিছু সহপাঠীর মাধ্যমে হানাফি থেকে সালাফি মতাদর্শে প্রবেশ করেন।

২০১০ সালে তিনি বাংলাদেশে আসার পর তার সমমনা লোক ও সংগঠনগুলোর অনুসন্ধান করতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি মোহাম্মদপুরের বসিলায় জসিম উদ্দিন রাহমানির মসজিদে যাতায়াত শুরু করেন এবং ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন উগ্রবাদী বক্তব্য ও ভিডিও দেখে কথিত জিহাদের প্রতি আকৃষ্ট হন।

র‌্যাব আরো জানায়, ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে আরবি ভাষার ওপর কোর্স করেন সুমন। কোর্স করার সময় ইফতেখার নামের একজনের সঙ্গে পরিচয় হয়। ইফতেখারের মাধ্যমেই পরবর্তীকালে তিনি আনসার আল ইসলামে (আনসারুল্লাহ বাংলা টিম) যোগদান করেন। ২০১৫ সালের মে মাসে তার সঙ্গী ইফতেখার, ফাহাদ, রাহাত, আসাদসহ আরো কয়েকজনকে বিস্ফোরক দ্রব্যাদিসহ রাজধানীর খিলগাঁও, সূত্রাপুর ও মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হলেও তৌফিক কৌশলে পালিয়ে যান। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতায় সাংগঠনিক কাজ কিছুটা ঝিমিয়ে পড়লে তৌফিক দাওয়াতি কাজ ও কর্মী সংগ্রহের দিকে মনোনিবেশ করেন।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/মাকসুদ/সাইফুল

Walton Laptop
 
     
Walton