ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ আষাঢ় ১৪২৬, ১৮ জুন ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

দুই শিক্ষার্থী নিহতের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তার সাক্ষ্য

মামুন খান : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০২-১১ ৭:০৫:১১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০২-১১ ৭:০৫:১১ পিএম
Walton AC 10% Discount

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী বাসের চাপায় নিহতের মামলায় রিয়াদ আহমেদ নামে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ এ কে এম ইমরুল কায়েশ এ পুলিশ কর্মকর্তার আংশিক সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। অবশিষ্ট সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আদালত আগামী ১৮ মার্চ পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

এখন পর্যন্ত মামলাটিতে ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

মামলাটিতে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচালক মাসুম বিল্লাহ ও মো. জোবায়ের সুমন, চালকের সহকারী মো. এনায়েত হোসেন কারাগারে আছেন। অপর দুই আসামি বাসমালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও চালকের সহকারী মো. আসাদ কাজী পলাতক রয়েছেন।

আসামি জাবালে নূর পরিবহনের বাসমালিক মো. শাহদাত হোসেন আকন্দের মামলার অংশের কার্যক্রম হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উত্তর ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিমের পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম ঢাকা সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটটি বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৭৯, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৪ ও ৩৪ ধারায় দাখিল করা হয়েছে। ৩০৪ ধারা অনুযায়ী, খুন বলে গণ্য নয় এরূপ নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

গত ২২ অক্টোবর অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। এরপর ২৫ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই দুপুরে কালশি ফ্লাইওভার থেকে নামার মুখে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে ১৫/২০ জন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে ছিলেন। জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় মুখেই দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে আরেকটি দ্রুত গতিসম্পন্ন জাবালে নূর বাস ওভারটেক করে সামনে আসতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর ওঠে যায়। চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান দুজন। আহত হন ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ২৯ জুলাই রাতে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিহত মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম মামলা দায়ের করেন।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯/মামুন খান/রফিক

Walton AC
     
Walton AC
Marcel Fridge