ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ আষাঢ় ১৪২৬, ১৮ জুন ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

বাস চাপা: তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য

মামুন খান : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১৩ ৬:১১:১৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৬-১৩ ৬:১১:১৬ পিএম
Walton AC 10% Discount

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাস চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী রাজিব-দিয়ার মৃত্যুর মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) পুলিশের ইন্সপেক্টর কাজী শরিফুল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ সাক্ষীর সাক্ষ্য দ্বিতীয় দিনের মত গ্রহণ করেন। কিন্তু এদিন তা শেষ না হওয়ায় আদালত আগামী ২৫ জুন অবশিষ্ট সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন।

মামলায় তিনি গত ৬ মে আদালতে প্রথম সাক্ষ্য দেন। এর আগে এ মামলায় আরও ২৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। গত বছর ৪ নভেম্বর থেকে এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

মামলাটিতে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচালক মাসুম বিল্লাহ ও মো. জোবায়ের সুমন, চালকের সহকারী মো. এনায়েত হোসেন কারাগারে আছেন। অপর দুই আসামি বাসমালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও চালকের সহকারী মো. আসাদ কাজী পলাতক রয়েছেন।

আসামি জাবালে নূর পরিবহনের বাসমালিক মো. শাহদাত হোসেন আকন্দের মামলার অংশের কার্যক্রম হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে।

গত বছর ৬ সেপ্টেম্বর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উত্তর ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিমের পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম ঢাকা সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিট বাংলাদেশ দ-বিধির ২৭৯, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৪ ও ৩৪ ধারায় দাখিল করা হয়েছে। ৩০৪ ধারা অনুযায়ী, খুন বলে গণ্য নয়, এরূপ নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদ-।

গত ২২ অক্টোবর চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। এরপর ২৫ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৯ জুলাই দুপুরে কালশী ফ্লাইওভার থেকে নামার মুখে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে ১৫/২০ জন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় জাবালে নূরের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর ওঠে যায়। চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান দুইজন। আহত হন ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ২৯ জুলাই রাতে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম মামলা দায়ের করেন।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৩ জুন ২০১৯/মামুন খান/শাহনেওয়াজ

Walton AC
     
Walton AC
Marcel Fridge