ঢাকা, সোমবার, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১৯ নভেম্বর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

‘ইফতার সামগ্রীতে ভেজাল সহ্য করা হবে না’

আসাদ আল মাহমুদ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৫-১০ ৫:৩৩:৫৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৫-২৩ ১০:৩৩:৩৫ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, ইফতার সামগ্রীতে ভেজাল সহ্য করা হবে না।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর নগর ভবনের ব্যাংক ফ্লোরের সেমিনার কক্ষে আসন্ন রমজান উপলক্ষে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশন, কেমিক্যালমুক্ত ফল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সহনশীলমূল্যে বিক্রয়করণসহ রোজাদারদের সুবিধা সম্পর্কিত সামগ্রিক বিষয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সাঈদ খোকন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার সবজিসহ সব নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। এমনকি গত বছরের তুলনায় এবার অনেক কম মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয় করতে পারবে নগরবাসী।

ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে মেয়র বলেন, আমরা আনন্দিত যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য খুচরা পর্যায়ে গতবারের তুলনায় এ বছর কম দামে বিক্রি হচ্ছে। রমজানে যাতে এই সহনীয় মূল্য ধরে রাখা যায় সেজন্য ডিএসসিসি সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। নগরবাসীকে কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে ডিএসসিসির।

অসাধু ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ফলমূলে ফরমালিন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। ইফতার সামগ্রীতে ভেজাল বরদাস্ত করা হবে না।

রমজানে রোজাদারদের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলসহ সার্বিকভাবে যেন রমজান শেষ করতে পারে সেজন্য ডিএসসিসির ৫টি অঞ্চলে ৫টি মনিটরিং টিম গঠন করে দেওয়া হবে। এই টিম রমজানে নিত্যপণ্যের দামসহ সবকিছু মনিটরিং করবে। এছাড়া ভেজাল ধরা পড়লে ভ্রাম্যমাণ আদালত শাস্তির ব্যবস্থা করবে।

রমজানের সময় রাজধানীজুড়ে অসনীয় যানজট স্বীকার করে সাঈদ খোকন বলেন, এমনিতেই যানজটে নাকাল অবস্থা। রমজান মাসে ফুটপাতে ইফতার সামগ্রী নিয়ে অস্থায়ী দোকান বসে। যানজটমুক্ত রাখতে ফুটপাতে কোনোভাবেই ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসা যাবে না। যদি কেউ বসে তাহলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের উচ্ছেদ করা হবে।

পাইকারী ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, খুচরা বাজার আর পাইকারী বাজারের মূল্য ব্যাপক ফারাক থাকে। এর অন্যতম কারণ বাজারে পণ্যের মূল্য তালিকা নেই। তাই রমজানের আগেই বাজারে মূল্য তালিকা দেওয়ার আহ্বান  জানান ব্যবসায়ী নেতারা।

ঢাকা মহানগর ফল আমদানি রপ্তানিকারক ও আড়ৎদার ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি হারুনুর রশীদ বলেন, এবার বাজারে যে পরিমাণ খেজুর মজুত আছে, তাতে দাম বাড়ার সুযোগ নেই। ভেজা খেজুর ৬৮ থেকে ৭২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাসেও এই দাম বজায় থাকবে।

মতবিনিময় সভায় ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা, কাউন্সিলর এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/১০ মে ২০১৮/আসাদ/সাইফ

Walton Laptop
 
     
Marcel
Walton AC