ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক শক্তির খেলা || আহমদ রফিক

আহমদ রফিক : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৯-১৬ ৭:৪৫:১২ এএম     ||     আপডেট: ২০১৭-১২-১১ ৫:৫৯:১৯ পিএম

এতদিন পর রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে বিশ্বের মানবতাবাদী মানুষ এখন সরব। তাদের দাবি: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গণহত্যা চলছে। রেহিঙ্গারা সেই গণহত্যার শিকার। গণহত্যায় চরম বর্বরতার প্রকাশ ঘটেছে এবং ঘটে চলেছে এবং চলবে নারী-শিশু-পুরুষ নির্বিশেষে। মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ও নিয়মতান্ত্রিক শাসক অং সান সু চি’র একটি উদ্দেশ্যই এ অপারেশনে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। আর তা হলো, রাখাইন রাজ্য রোহিঙ্গা শূন্য করা।

এ ঘটনায় প্রতিবেশী বাংলাদেশের ওপর নানামাত্রিক চাপ তৈরি হোক তাতে মিয়ানমার শাসকদের কিছু যায় আসে না। এ অমানবিক, অযৌক্তিক, অনৈতিক প্রচেষ্টার শুরু কয়েক দশক আগে থেকে যখন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সীমান্তে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রথম ঢেউ এসে লাগে। বাংলাদেশে তারা আশ্রয় পায়। কিন্তু বাংলাদেশ তখন এই গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক বিষয়টি নিয়ে অবশ্য প্রয়োজনীয় তৎপরতা দেখায়নি।

এরপরও কিছু বছর পরপর ঘরছাড়া রোহিঙ্গারা চট্টগ্রাম সীমান্তে পাড়ি জমিয়েছে। এখন তা চরম অবস্থায় পৌঁছেছে। বিশ্বজনমতের একাংশের উপলব্ধি মিয়ানমারে গণহত্যা চলছে যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার বৃহত্তর রূপ। ভারতীয় উপমহাদেশে এক সময় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার চরিত্র ছিল দুই সম্প্রদায়ের পরস্পর-বিরোধী হিংস্র সহিংসতা- খুন, ধর্ষণ, ইত্যাদি নিয়ে। দেশভাগের পর উভয় খণ্ডে তা হয়ে দাঁড়ায় এক তরফা সহিংসতা। সংখ্যালঘু হিসেবে দুর্বল জনগোষ্ঠী পাল্টা আক্রমণে তৎপর হতে পারেনি।

মিয়ানমারে ছোট্ট জনগোষ্ঠীর অবস্থা এখন উগ্র বৌদ্ধ রাখাইনদের আক্রমণের মুখে এমনই এক অসহায় অবস্থায়। গৌতম বুদ্ধের অহিংসা ও মানব সম্প্রীতির বাণী বুদ্ধবিশ্ববাসীদের চেতনা থেকে নির্বাসিত। উগ্র জাতীয়তাবাদ তার ফ্যাসিস্ট চরিত্র নিয়ে দেখা দিয়েছে মিয়ানমারের শাসকশ্রেণীর মধ্যে, সামরিক বাহিনীর মধ্যে। জনতার একাংশে তার প্রকাশ রাজনীতির নিয়মে।

দুই

ব্রহ্মদেশ তথা ব্রিটিশ আমলের বার্মা বেশ বড়সড় দেশ। প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূ-গর্ভস্থ খণিজ ও জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ। উর্বর ভূমিতে ফসলের উপস্থিতি কিংবদন্তিতুল্য। ইংরেজ আমলে প্রচুর চাল আর মূল্যবান সেগুন কাঠ আসত বাংলাদেশে। এমন একটি দেশের প্রতি প্রতিবেশী দেশ ও সাম্রাজ্যবাদী কায়েমি স্বার্থবাদী শক্তির নজর পড়বে এমনটাই স্বাভাবিক। পড়েছে একদা। পড়ছে এখনও।

মিয়ানমার সম্পর্কে আরো একটি বিষয় বিচার্য যে, এখানে প্রধান জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি একাধিক ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বসবাস। এদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন নতুন ঘটনা নয়। বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে ইংরেজ শাসনের অবসানের পর থেকে ওইসব জাতিগত চেতনার প্রকাশ ঘটেছে সশস্ত্র আন্দোলনে। প্রয়াত রাজনৈতিক নেতা অং সানের চেষ্টা সত্ত্বেও সে সমস্যা মেটেনি। পরে সামরিক শাসকদের প্রচণ্ড দমননীতির মুখে তা দুর্বল হয়েছে, এই যা। অতিশয় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গারা এদিক থেকে পিছিয়েই ছিল। কিন্তু লাগাতার অত্যাচার সহিংসতার মুখে তাদের মধ্যে মাথা চাড়া দিচ্ছে পাল্টা প্রতিকার ও প্রতিরোধের সশস্ত্র তৎপরতা যা বলা চলে শৈশব অবস্থায়। এর পরিণতি কোথায় তা এ মুহূর্তে সঠিক বলা যাচ্ছে না।

তিন

রোহিঙ্গা গণহত্যার প্রবলতার মুখে বিশ্বজনমত যখন সোচ্চার হতে শুরু করেছে বৃহৎ বিশ্বশক্তিগুলোও পাশাপাশি সরব ও সক্রিয় হতে শুরু করেছ্। সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর ও প্রতিবেদনের সিংহভাগ যথারীতি এখন রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে। প্রথমত রোহিঙ্গা সমস্যার ক্ষেত্রে চীন তার পূর্ব অবস্থানেই রয়েছে। তবে একটু নড়েচড়ে বসেছে ওয়াশিংটন।

খবরে প্রকাশ- মিয়ানমারের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন চাইছে চীন। নেপথ্য কারণ রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক। বিষয়টি ইতিপূর্বে আমার একাধিক লেখায় আলোচিত যে, মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের সীমান্ত সান্নিধ্য ছাড়াও নানাসূত্রে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেটা দ্বীপাক্ষিক স্বার্থে। চীন রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে সে স্বার্থ বিসর্জন দিতে চাইছে না। ভারত এখন এ ব্যাপারে নিরক্ষরেখায় দাঁড়ানো। যদিও বলছে এর মানবিক সমাধান দরকার। পাশাপাশি দেখা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মিয়ানমার গিয়ে তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ঘোষণা দিয়েছেন। দীর্ঘ সময় পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যথারীতি তার নীরবতা ভঙ্গ করে রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা নিয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আর রাশিয়া এখনো এ ব্যাপারে তার ভূমিকা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করছে না।

বিশদ বিচারে এটা স্পষ্ট যে, আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিবেচনায় রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের পথটি যথেষ্ট জটিল। জটিল ইতিপূর্বে ব্যক্ত ইঙ্গিতের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক শক্তির নিজ নিজ স্বার্থ সংশ্লিষ্টতার কারণে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আজকের রোহিঙ্গা ইস্যুতে এখন পর্যন্ত বিশ্বের পরাশক্তি, বৃহৎশক্তি যথেষ্ট মাত্রায় বিভাজিত। মানবিক চেতনা তাদের টানছে না। বিশেষ করে চীন ও ভারত পরস্পর-বিরোধী রাজনৈতিক চেতনার হওয়া সত্ত্বেও রোহিঙ্গা সমস্যায় এখন একই নৌকায়।

তাছাড়া একাধিক বৈশ্বিক রাজনীতির প্রশ্ন এখানে জড়িত। যেমন ইতিপূর্বে আমার লেখায় যুক্তরাষ্ট্রের চীন ঘেরাও নীতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চীন কিছুটা চিন্তিত। তাই রোহিঙ্গা বিতাড়নের মানবিক আর্তির চেয়ে তার সীমান্ত স্বার্থ চীনের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ। মজাটা হলো যে, সু চিকে নিয়ে এক্ষেত্রে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ একসূত্রে দাঁড়িয়ে গেছে। যদিও দুই পক্ষের মূল স্বার্থ তাদের নিজ নিজ পক্ষে।

ওয়াশিংটন দীর্ঘ সময় ধরে চেষ্টা করেছে বঙ্গোপসাগরে, নিদেনপক্ষে ভারত মহাসাগরে তাদের শক্তিশালী নৌ-ঘাঁটি স্থাপন করতে। তাতেও চীনের ওপর সামুদ্রিক নজরদারী সহজ হয়। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বা ভারত তখন তার সহায়ক হয়নি। এখন কি তাদের চেষ্টা হবে রাখাইন রাজ্যসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে অবস্থান নেবার। যেখানে উদ্দেশ্য দ্বি-মাত্রিক, যেমন নৌ-সামরিক তেমনি, সাগরে বিশাল জ্বালানি সম্পদের অংশীদার হওয়া। চীন এক্ষেত্রে তার প্রতিদ্বন্দ্বী। এ ক্ষেত্রে সু চি ইঙ্গ-মার্কিনিদের পক্ষে হলেও মিয়ানমারের সামরিক শাসক শ্রেণী চীনের পক্ষে। এ ক্ষেত্রে দুই বৃহৎ শক্তির ভূমিকা কি এখানে ঐক্যের না বিরোধিতার?

রোহিঙ্গা বিতাড়ন নিয়ে আরো একটি আন্তর্জাতিক বিবেচনার দিক হলো, রোহিঙ্গা বসতির শূন্যস্থানে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা। এ পরিকল্পনা সু চি’র। আর সে কারণেই কি জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে মিয়ানমারে জাতিগত সমস্যা সমাধানের লক্ষে যে কমিশন গঠিত হয় তার প্রতিবেদন তাদের কাছে বড় একটা গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়নি? কারণ স্পষ্ট।

কিন্তু ওই অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রশ্ন ওঠে, সেখানে বিনিযোগের ক্ষেত্রে কাদের প্রধান্য থাকবে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের না চীনের? সেটা নির্ভর করছে পরিস্থিতির ওপর। আর এ কারণেই কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা বিতাড়নের বর্বরতা সত্ত্বেও সক্রিয় মানবিক ভূমিকা নিতে এগিয়ে আসছে না মূলত স্বার্থনষ্ট হবার ভয়ে। অথচ ইস্যুটা এতই অমানবিক যে গণতন্ত্রের মুখরক্ষায় কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ না করলেই নয়।

চার

এ প্রসঙ্গে আরো একটি বিষয় শিখণ্ডির মতো সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। তা হলো, এ অঞ্চলে ইসলামি জঙ্গীদের সন্ত্রাসী উপস্থিতি। এ দিক থেকে ওয়াশিংটন-দিল্লি-বেইজিং একই ভাবনার শরিক। এমনকি জঙ্গী দমনে বাংলাদেশও মিয়ানমারের সঙ্গে একজোট হয়ে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গোটা বিষয়টি রোহিঙ্গা সমাধানের ক্ষেত্রে আরো জটিলতার সৃষ্টি করেছে। এ দিক থেকে রক্ষণশীল চেতনার রোহিঙ্গা মুসলমানেরা কি বলির পাঁঠা হবে?

রোহিঙ্গাদের ওপর যত বর্বরতা সংঘটিত হোক না কেন আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিচারে এরা রীতিমত অসহায় অবস্থানে। শান্তিতে নোবেলজয়ী পাঠানকন্যা মালালা ইউসুফজাই যতই রোহিঙ্গা বিতাড়ন উপলক্ষে শান্তিতে আরেক নোবেল পুরস্কারপ্রাপক সু চি’র সমালোচনা করুক মিয়ানমার ও তার মিত্ররা তা গ্রহণ করতে অনিচ্ছুক।

বাংলাদেশেও জোর লেখালেখি চলছে এই দাবিতে যে, অশান্তির কারিগর সু চিকে প্রদত্ত শান্তির নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নেওয়া হোক। কিন্তু যদের মদতে সু চিকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা সেই সব শক্তিমান রাষ্ট্র ভেবেচিন্তেই এ কাজে নেমেছিল এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য সফলও হয়েছে। কিন্তু দুঃসহ পরিস্থিতির টানে সবার চেয়ে সমস্যায় আক্রান্ত বাংলাদেশ।

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী সংখ্যায় কম হলেও তাদের বিপদ একাত্তরের গণহত্যার মতো একই চরিত্রের। পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীও চেয়েছিল পূর্ব পাকিস্তান থেকে হিন্দু সম্প্রদায় ও জাতীয়তাবাদী মুসলমানদের বিতাড়িত করে পাকিস্তানপন্থী পূর্বাঞ্চল নতুন করে গড়ে তুলতে। পরিণামে যুদ্ধাবস্থা। এখানেই তফাৎ ছোট্ট জাতি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রতিবাদী চেতনা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে। প্রতিরোধ যুদ্ধের অবস্থান নেওয়ার মতো চিন্তা ও শক্তি তাদের নেই।

এখন সমস্যা সমাধানের দায় সবটাই যেন বাংলাদেশের মাথায় চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে রয়েছে আন্তর্জাতিক শক্তির স্বার্থপর খেলা। এ অবস্থায় বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র করণীয় কূটনৈতিক যুক্তিবাদী বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। যেমন জাতিসংঘের বিভিন্ন পরিষদে, তেমনি শক্তিমান বিদেশি রাষ্ট্র প্রধানদের স্ব-মতে আনার লাগাতার চেষ্টা চালানো। দরকার প্রতিবেশী ভারতকে সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। সেইসঙ্গে রাশিয়াসহ বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সংলাপ চালানো। কিন্তু শক্তিমানদের খেলার মুখে সাফল্য অর্জন বড় কঠিন বিষয়। তবু হাল ছাড়লে তো চলবে না।

আর যে রোহিঙ্গা যুবারা আওয়াজ দিচ্ছে: ‘আমরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছি’ তাদের আশু কর্তব্য একটাই। তা হলো, রোহিঙ্গা গণহত্যার বিরুদ্ধে শক্তিমান প্রতিরোধ গড়ে তোলা আত্মরক্ষার তাগিদে, জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে। যা কিছুটা দেখা দিলেও এখনো সংগঠিত পর্যায়ে শক্তিমান নয়। তদুপরি তাদের পক্ষে সহায়ক শক্তির অভাব। নিজেদের শক্তি নামমাত্র।

অবস্থাদৃষ্টে পলায়নে যাদের জীবন রক্ষা তাদের মধ্যে প্রতিরোধ আন্দোলন সংগঠিত করা কঠিন মূলত এ কারণে যে, দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সহায়তা তারা পাচ্ছে না। অর্থাৎ ভারত ও চীন এ ক্ষেত্রে মিয়ানমারের শাসক শ্রেণীর পক্ষে। ওয়াশিংটনও তাই। এ অবস্থায় কোথায় দাঁড়াবে অসহায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী? তাই তারা পলায়নপর শরণার্থীরূপে বাংলাদেশের দিকে। জাতিসংঘ নীতিগতভাবে তাদের পক্ষে দাঁড়ালেও তাদের সহায়ক শক্তি বলিষ্ঠ নয়। আপতত বাংলাদেশকেই তাই নিজস্বার্থে ও রোহিঙ্গাদের জীবন বাঁচাতে আন্তর্জাতিক দরবারে, বৃহৎ শক্তির কাছে লাগাতার কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হবে। প্রয়োজন গণহত্যার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের শরণাপন্ন হওয়া। আপাতত এর কোনো বিকল্প নেই।

লেখক: রবীন্দ্র গবেষক, প্রাবন্ধিক




রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭/তারা

Walton
 
   
Marcel