ঢাকা, শনিবার, ৬ কার্তিক ১৪২৪, ২১ অক্টোবর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:
সম্ভাবনাময় উপকূল

পর্যটনে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অবারিত সুযোগ

রফিকুল ইসলাম মন্টু : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৯-২৭ ৬:২৩:১১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৯-২৮ ৮:৫৮:৩২ এএম

বাংলাদেশের সমুদ্র তীরবর্তী উপকূলীয় এলাকায় রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। সমুদ্র-নদী থেকে আহরিত মৎস্য সম্পদে জীবিকা চলে লাখো মানুষের। লবণ চাষ, শুঁটকি উৎপাদন, কাঁকড়া চাষ, চিংড়ি চাষে বহু মানুষ বেঁচে আছে। দ্বীপের পলি মাটিতে কৃষি আবাদ বহু মানুষের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। সয়াবিনের মতো অর্থকরী ফসল উৎপাদনেও বিপ্লব ঘটেছে উপকূলে। সমুদ্র সৈকতের খনিজ বালু এই জনপদের আরেক সম্ভাবনা। পর্যটন খাতেও উপকূল জুড়ে রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। এসব সম্ভাবনা ও সম্ভাবনা বিকাশের অন্তরায় নিয়ে উপকূলের প্রান্তিক জনপদ ঘুরে তুলে ধরেছেন রফিকুল ইসলাম মন্টু। আজ প্রকাশিত হলো এই ধারাবাহিকের নবম পর্ব।

পর্যটনের অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে উপকূল অঞ্চলজুড়ে। দিগন্তরেখা ছুঁয়ে যাওয়া বিস্তৃত সমুদ্র সৈকতের সঙ্গে যোগ হয়েছে ঘন সবুজ বনরাজি। কোথাও পাহাড়ের সঙ্গে সমুদ্রের নিবিড় সখ্য। সমুদ্রের ঢেউ এসে আঁছড়ে পড়ে সৈকতে। ফেনিল নোনা জলে ভেজা তটরেখায় লাল কাঁকড়াদের ছুটাছুটি। ঝাউ বাগানের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা বাতাসের শো শো আওয়াজ। ঝাউ গাছের ঝরা পাতাগুলো শুকনো বালুর ওপর যেন নরম বিছানা পেতে রেখেছে। এর মাঝে পাখিদের কলকাকলি সমুদ্রসৈকতের অপরূপ রূপ করে তুলেছে আরও আকর্ষণীয়। রয়েছে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন। সমুদ্রলাগোয়া অঞ্চলে রয়েছে প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন। এসবের সঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি উপকূলের পর্যটনে যোগ করছে ভিন্ন মাত্রা।

পূর্বে কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ আর পশ্চিমে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কালিঞ্চি গ্রাম পর্যন্ত ৭১০ কিলোমিটার উপকূলের ভাঁজে ভাঁজে ছড়িয়ে আছে প্রকৃতির দেওয়া অপার সৌন্দর্য্য। পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ। যথাযথ পরিকল্পনার অভাবে সেসব উদ্যোগ সেভাবে উপকূলে পর্যটক টানতে পারছে না। কোথাও যাতায়াত সংকট, কোথাও নিরাপত্তার অভাব, আবার কোথাও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা না না থাকায় পর্যটক আকৃষ্ট হচ্ছে না। দেশের দু’টি পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার এবং কুয়াকাটায় অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পর্যটকদের।

 


সূত্র বলছে, কুয়াকাটায় পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিপুল অর্থ ব্যয়ে তিনটি সেতুর কাজ সম্পন্ন হলেও সেখানে পর্যটকদের যাতায়াতে রয়েছে হাজারো সমস্যা। যাত্রীবাহী পরিবহনের স্বেচ্ছাচারিতা, সংস্কার বিহিন রাস্তাঘাট, সৈকতের ভাঙন রোধে উদ্যোগ না নেওয়া, সুষ্ঠু পরিকল্পনা না থাকা, স্থানীয়দের অসদাচরণ ইত্যাদি কারণে কুয়াকাটা সেভাবে পর্যটক টানতে পারছে না। সৈকত সংলগ্ন বেড়িবাঁধে বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিলেও তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ কুয়াকাটায় পর্যটকেরা একইসঙ্গে সমুদ্র সৈকত, আদিবাসী সংস্কৃতি, ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ইত্যাদির সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারেন। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সেসব সম্ভাবনা বিকশিত করা সম্ভব বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

কুয়াকাটায় বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে ‘ইলিশ পার্ক’ নামে ব্যতিক্রমী দর্শনীয় স্থান। একখণ্ড জমি কিনে সেখানে পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিনোদন সুবিধা রাখা হয়েছে। এই পার্কে স্থাপন করা হয়েছে বিশাল আকৃতির ইলিশ। এর ভেতরে ‘ইলিশ ক্যাফে’। শুধু উপকূল নয়, দেশের কোথাও এত বড় প্রতীকী ইলিশ চোখে পড়ে না। সুন্দরবনের আশপাশ ঘিরে নেওয়া হয়েছে আরেক ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ; যা ‘ইকো ট্যুরিজম’ নামে পরিচিত। তরুণদের হাত ধরে শুরু হওয়া সে উদ্যোগ এগিয়ে নিতে এগিয়ে এসেছে সরকার। এর মধ্যে অন্যতম সাতক্ষীরার শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জের ইকো ট্যুরিজম সেন্টার ‘আকাশলীনা’।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে চালু হওয়া কুয়াকাটার ইলিশ পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, উপকূলীয় এলাকায় রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। রয়েছে পর্যটন বিকাশের অবারিত ক্ষেত্র। ব্যতিক্রমীধারার ছোট উদ্যোগগুলোই পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পারে। ইলিশ পার্ক তেমনই একটি উদ্যোগ। এখানে প্রতিদিন বহু মানুষ আসেন। তবে বেসরকারি পর্যায়ের এসব উদ্যোগের পাশে থাকতে হবে সরকারকে। সরকারি সহযোগিতা না পেলে এসব আকর্ষণীয় উদ্যোগ মুখ থুবড়ে পড়বে।

 


বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের চারপাশে ইকো ট্যুরিজমের ধারণার প্রবর্তক জোয়ার ইকো ট্যুরিজমের নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান আকাশ বলেন, ইকো ট্যুরিজমের এই উদ্যোগ সুন্দরবনকেন্দ্রিক জীবিকায়নের বিকল্প হিসাবে কাজ করছে, পাশাপাশি পর্যটকদের সুন্দরবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে সহায়তা করছে। এই কার্যক্রমের আওতায় সুন্দরবনের আশপাশে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় ইকো রিসোর্ট গড়ে তোলা হচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িত স্থানীয় বাসিন্দারা জীবিকার জন্য সুন্দরবনে যাওয়া থেকে বিরত থাকছেন।

সমগ্র উপকূলে রয়েছে অবারিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ক্ষেত্র। বহু স্থানের সৌন্দর্য আর সম্ভাবনার খবর অজানাই থেকে যাচ্ছে। অথচ যথাযথ উদ্যোগ ওইসব স্থানে হাজারো পর্যটক টানতে পারে। স্বর্ণময় রূপ নিয়ে উপকূলবর্তী জেলা পটুয়াখালীর সর্বদক্ষিণে সমুদ্রের কোলে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিয়ে জেগে আছে সোনার চর। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, নগর থেকে বহুদূরের এই সৈকতের সৌন্দর্য এখনও অনেকের কাছেই অজানা। নদী আর সড়ক পথ পাড়ি দিয়ে সোনারচরে এসেই এর সৌন্দর্য উপলব্ধি করা যায়। অনেকেরই হয়তো ম্যানগ্রোভ বনের নির্জনে সৈকতের বালুতে গা এলিয়ে দিয়ে শোনা হয়নি সমুদ্রের গান। বন্ধুদের হাত ধরাধরি করে ঝাউ বাগানের ভেতর দিয়ে হাঁটা হয়নি। চক্ষু মেলিয়া দেখা হয়নি ভেজা বালুতে লাল কাঁকড়াদের আঁকা অনাবিল সৌন্দর্যের আলপনা। দেখা হয়নি পিপাসা মেটাতে সমুদ্রের জলপানে আসা বুনো মহিষ দলের পায়ের ছাপে সৈকতের বালুতে কেমন চিত্রপট অঙ্কিত হয়। এখানে বনবাদারের সব বুনোরাই যেন সৈকতের সৌন্দর্য অনেকখানি বাড়িয়ে রেখেছে।

সোনার চরের আকর্ষণ যেকোন মানুষকেই কাছে টানে। এখানে পা না ফেললে বোঝার কোনো উপায় নেই। এখানে রয়েছে প্রায় দশ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত। সূর্যাস্ত আর সূর্যোদয়ের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায় একই স্থান থেকে। সমুদ্রে টেনে নেয়ার ভয় নেই এখানে। আড়াআড়ি সমুদ্র স্রোতের ফলে পানির নিম্নমূখী টান নেই। ফলে পর্যটকেরা এখানে থাকবেন নিরাপদে। সৈকতের গা ঘেঁষে জেগে থাকা ঝাউবন এখানকার সৌন্দর্য আরও অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছে। আছে ম্যানগ্রোভ বন। হরিণ, বুনো মহিষ, মেছোবাঘ, শূকর, উদসহ নানা প্রজাতির প্রাণী। শীতকালে এই পাখিদের দলে যোগ দেয় হাজারো অতিথি পাখি। সাইবেরিয়ান হাঁস, ব্ল্যাকহেড, সরাইল, গাঙচিলসহ নানা জাতের পাখি আসে এখানে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত থেকে কাছেই দরিয়া নগরে সমুদ্র মিলেছে পাহাড়ে। সমুদ্রের নোনাজলের ঢেউ এসে আঁছড়ে পড়ছে পাহাড়ের পাদদেশে। পড়ন্ত বেলায় পশ্চিমে হেলে পড়া সূর্যটা যেন ডাকছে হাতছানি দিয়ে। তেজ কমে যাওয়া সূর্যের স্বর্ণালী আলোচ্ছটা দীর্ঘ বেলাভূমিতে সোনা ছড়িয়ে রেখেছে। আবার পাহাড়ের উঁচুতে কাঁশ ফুলের সঙ্গে সূর্যের নিবিড় সখ্যে সৃষ্টি হয়েছে চিত্রশিল্পীর এক বিশাল ক্যানভাস। ডানা মেলে ঝাঁকে ঝাঁকে শ্বেতবর্ণ গাঙচিল উড়ে চলে সমুদ্র ঘেঁষা আকাশের নিঃসীম নীলিমায়। পাহাড়ের উঁচু চূড়া থেকে সৈকতের দিকে তাকিয়ে সমুদ্রের আরেক রূপ উপভোগ করার সুযোগ কেবল এখানেই। যেন সমুদ্র আর পাহাড়ের এক অপরূপ মিলমমেলা।

বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের অতি নিকটে দরিয়া নগরের সৌন্দর্যের গল্পটা এমনই। প্রকৃতি এখানে আপন সৌন্দর্য বিলিয়েছে দু’হাত ভরে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে খানিক দূরে হিমছড়ি কিংবা ইনানী বীচে যাওয়ার আগেই সমুদ্র আর পাহাড়ের মিলনস্থলে এই অপরূপ সৌন্দর্যের স্থান। সৈকত আর পাহাড় তো আছেই, সেই সঙ্গে পাহাড়ের চূড়া থেকে প্রায় ৭০০ ফুট গভীরে একটি প্রাচীন গুহা রয়েছে এখানে। পর্যটকেরা অনায়াসে পাহাড়ের সেই ভিন্নরূপটা উপভোগ করতে পারেন। পাহাড়ের চূড়ায় ‘কবি টং’-এ বসে একই সঙ্গে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ রয়েছে।  

 


সরেজমিনে ঘুরে পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, দরিয়া নগরের সৌন্দর্য তাদের আকৃষ্ট করে। তাইতো বারবার তারা ছুটে আসতে চান এখানে। একাধিক পর্যটক বললেন, ‘পাহাড়ের নির্জনতায় ভয় কাটিয়ে এখানে গড়ে তোলা হয়েছে আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট। একইসঙ্গে পাহাড় আর সমুদ্রের বেলাভূমিতে পা ফেলে যেন এক ভিন্ন আনন্দ উপভোগের সুযোগ রয়েছে এখানে। তবে দরিয়া নগরে পাহাড় ঘেরা পর্যটনকে আরও আকর্ষণীয় করার সুযোগ রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সে উদ্যোগ নিতে পারে।’

দরিয়া নগর থিম পার্কের প্রধান উদ্যোক্তা ও কক্সবাজার সী বীচ ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম সায়েম ডালিম বলেন, পর্যটকদের প্রকৃতির খুব কাছাকাছি নিয়ে আসাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। বন বিভাগের কাছ থেকে জমি ইজারা নিয়ে নিজস্ব বিনিয়োগের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হচ্ছে। বন বিভাগকে এজন্য প্রায় ১৭ লাখ টাকা দিতে হয়। ২০০৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত সরকার এই পার্ক থেকে রাজস্ব পেয়েছে কোটি টাকার ওপরে।

মহেশখালীর সোনাদিয়া বহু পর্যটকের কাছেই আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে পরিচিত। যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না হলেও প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয় সোনাদিয়া। ভোরের সোনাদিয়ায় পুব আকাশে রক্তিম আভা। গাছে গাছে পাখিদের ডাকাডাকি। সৈকতের কিনারে ঠায় দাঁড়িয়ে গগনমূখী ঝাউবন। নোনাজলে ভাটার টানে বিক্ষুব্ধ সমুদ্রটা যেন একেবারেই শান্তশিষ্ট। ট্রলার ভিড়ছে, মাছ আর জাল নিয়ে ঘরে ফেরার তাড়া জেলের। এরই মাঝে সমুদ্রের জলে স্বর্ণালী ঝিলিক ছড়িয়ে এক নতুন সূর্যের আগমন। শুধু সূর্যোদয় নয়, একই বেলাভূমিতে পশ্চিম দিগন্তে সূর্যাস্তের দৃশ্যটাও অপরূপ-নয়নাভিরাম। আকাশের ক্যানভাসে আঁকা বৃহৎ আকৃতির সূর্য, নিচে সমুদ্রের নীল জল, সুদীর্ঘ বেলাভূমি আর এরই পাশে ঘন সবুজ ঝাউবনের সমন্বয়ে সোনাদিয়া ফিরে পায় অপরূপ সৌন্দর্য। এ দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমী সব মানুষকেই টানে সমুদ্র সৈকতের দিগন্তে।

স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটন শিল্পের উদ্যোক্তা, পর্যটকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপে উঠে আসে উপকূলের পর্যটন বিকাশের সুপারিশ। তারা বলেন, পর্যটন শিল্প বিকাশে প্রথমত, সরকারি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। সম্ভাবনা ক্ষেত্রগুলো খুঁজে বের করে সম্ভাবনা বিকাশের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। পর্যটনকেন্দ্রগুলোর ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার দাবি জানিয়েন তারা। দ্বীপচরসহ বিচ্ছিন্ন জনপদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য পর্যটকদের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নিতে হবে। উপকূলের পর্যটন বিকাশে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

উপকূলের পর্যটন বিকাশে পর্যটন করপোরেশন ও ট্যুরিজম বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেছেন, পর্যটনের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলো পর্যটকদের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শুধু উপকূল নয়, সমগ্র বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থানগুলো যাতে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে, সে বিষয়ে সরকারি উদ্যোগ রয়েছে।    

 


রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭/তারা

Walton
 
   
Marcel