ঢাকা, শুক্রবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৫ মে ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

৩ মাসে ৮০ লাখের বেশি ভিডিও মুছেছে ইউটিউব

মনিরুল হক ফিরোজ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৮-০৪-২৫ ১২:৫৮:১৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৪-২৫ ২:৪০:৩৫ পিএম

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : প্রতি মিনিটে প্রায় ৩০০ ঘণ্টা পরিমাণ ভিডিও আপলোড হয়ে থাকে ইউটিউবে। সাইটটি এখন প্রকাশ করেছে যে, এর মধ্যে কি পরিমাণ ভিডিও তাদের সরিয়ে ফেলতে হয়।

ইউটিউব তাদের নতুন ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, নিয়ম লঙ্ঘনকারী কনটেন্টগুলো প্লাটফর্মটি কিভাবে মোকাবেলা করে তা তুলে ধরা হয়েছে।

‘ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইনস এনফোর্সমেন্ট রিপোর্ট’ শিরোনামের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অক্টোবর ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত প্লাটফর্মটি থেকে ৮০ লাখের বেশি আপত্তিকর ভিডিও সরানো হয়েছে।
 


এই ৮০ লাখ ভিডিওর বেশিরভাগই স্প্যাম অথবা অ্যাডাল্ট কনটেন্ট ছিল। চমকপ্রদ ব্যাপার হচ্ছে, এর মধ্যে ৬৭ লাখ আপত্তিকর ভিডিও ব্যবহারকারীদের রিপোর্টের মাধ্যমে প্রথম চিহ্নিত হয়নি বরং ইউটিউবের নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে চিহ্নিত হয়েছে। যার ৭৬ শতাংশ ভিডিও একবার ভিউ হওয়ার আগেই মুছে ফেলা হয়েছে।

২৩ এপ্রিল ইউটিউবের ব্লগপোস্টে একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘উদাহারণস্বরুপ, ২০১৭ সালের শুরুতে সহিংস চরপন্থীদের ভিডিও কনটেন্টগুলোর ৮ শতাংশ ১০ বারেরও কম ভিউ হওয়ার আগেই মুছে ফেলা হয়েছে। ২০১৭ সালের জুন মাসে আমরা আপত্তিকর ভিডিও চিহ্নিত করার মেশিং লার্নিং প্রযুক্তি যুক্ত করেছি, এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সহিংস চরমপন্থীদের যে ভিডিওগুলো চিহ্নিত করে মুছে ফেলা হচ্ছে, তার মধ্যে অর্ধেক সংখ্যক ভিডিওর ভিউ সংখ্যা ১০ বারেরও কম।’

আপনি হয়তো ভাবতে পারেন যে মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ার ফলে ব্যবহারকারীদের পর্যালোচনার সংখ্যা কমে যাবে, কিন্তু ইউটিউব জানিয়েছে আসলে বিপরীতটাই ঘটবে।
 


ইউটিউব মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের প্রযুক্তিটি মানুষের পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করেই নীতিমালা লঙ্ঘন করে কিনা তা নির্ধারণ করে।’

২০১৭ সালে ইউটিউবের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গুগল এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, নীতিমালা ভঙ্গ করে এমন ভিডিও মোকাবেলার কাজ করার কর্মী সংখ্যা চলতি বছরে প্রতিষ্ঠানটি ১০ হাজারে নিয়ে আসবে।

তথ্যসূত্র : মিরর



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৫ এপ্রিল ২০১৮/ফিরোজ

Walton Laptop
 
   
Walton AC