ঢাকা, মঙ্গলবার, ৮ ফাল্গুন ১৪২৪, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
Risingbd
অমর একুশে
সর্বশেষ:

‘দেশকে ভালোবাসি, দেশীয় পণ্যকেও ভালোবাসি’

জাকির হুসাইন : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৮-০১-৩০ ৪:১৬:১০ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০১-৩০ ৫:৫৩:০৮ পিএম
মো. রাহাত উদ্দিনের হাতে লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার ও অন্যান্য পণ্য তুলে দেওয়া হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘দেশকে ভালোবাসি, দেশীয় পণ্যকেও ভালোবাসি। এই ভালোবাসা থেকেই ওয়ালটনের তৈরি পণ্য ব্যবহার করি। আর সেই ভালোবাসার প্রতিদানও দিচ্ছে ওয়ালটন। সব পণ্যেই পাচ্ছি দারুণ সার্ভিস। সবচেয়ে আনন্দের ব্যাপার হলো, আশা না করলেও ওয়ালটন থেকে টেলিভিশন কিনে পেয়েছি ১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার। এখন আমার ঘর উপছে পড়ছে ওয়ালটন পণ্যে।’

কথাগুলো মো. রাহাত উদ্দিনের। তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায়। চাকরি করেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে। কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত আছেন বরিশাল পুলিশ লাইনসে। স্ত্রী এবং একমাত্র মেয়েকে নিয়ে স্টাফ কোয়ার্টারে থাকেন তিনি। দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছোট। বড় বোন স্বামীর সঙ্গে গাজীপুরে থাকেন। আর বাবা-মা থাকেন গ্রামের বাড়িতে।

মো. রাহাত উদ্দিন বলেন, ‘আজ থেকে ৭ বছর আগে বাংলাদেশ পুলিশে চাকরি পাই। এর দুই বছর পরেই বিয়ে করি। বড় আপাকে আরো অনেক আগে বিয়ে দেওয়া হয়। বড় আপার গাজীপুরের বাসায় টিভি-ফ্রিজ থেকে শুরু করে সব পণ্য ওয়ালটনের। মজার বিষয় হলো- আমাদের সব আত্মীয়ের বাসায় ওয়ালটন পণ্য ব্যবহার হচ্ছে। এর মধ্যে আমি নিজেও অনেককে ওয়ালটন পণ্য কিনে দিয়েছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাবা-মা গ্রামের বাড়িতে যে টিভি-ফ্রিজ ব্যবহার করেন, তা ওয়ালটন থেকে আমারই কেনা। আমার বরিশালের বাসার ফ্রিজটিও ওয়ালটনের। কারণ, একটাই আমরা দেশকে ভালেবাসি, দেশীয় পণ্যকেও ভালোবাসি। ওয়ালটন দেশীয় কোম্পানি। জানতে পারি, ওয়ালটন দেশেই উৎপাদন করেছে অনেক ভালো ভালো পণ্য। যা আমরা কখনো কল্পনাও করতে পারিনি। তাই দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ভক্ত আমরা।’

মো. রাহাত উদ্দিন বলেন, ‘যারা এ ধরনের পণ্য কিনতে চান, আমি তাদের ওয়ালটন থেকে কেনার পরামর্শ দিয়ে থাকি। আমার পরামর্শে পুলিশ লাইনের অনেক পণ্য ওয়ালটন থেকে কেনা হয়েছে। নিজে গ্যারান্টার হয়ে আমার অনেক সহকর্মীদের কিস্তিতে ফ্রিজ-টিভি কিনে দিয়েছি। এ কারণে বরিশালে ওয়ালটনের বিভিন্ন শোরুমের অনেক কর্মকর্তাই আমার বেশ পরিচিত। ওয়ালটন পণ্য ব্যবহার করে সবাই ভালো মন্তব্য করছে। এখন পর্যন্ত কারো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। চমৎকার সার্ভিসে আমরা সবাই ওয়ালটনের একনিষ্ঠ ভক্ত।’

তিনি বলেন, ‘আমার নিজের বাসায় অন্যান্য সব পণ্য থাকলেও টিভি ছিল না। স্ত্রী প্রায় সময় টিভি কেনার কথা বলত। কিন্তু অবহেলায় এতদিন তা কেনা হয়নি। অবশেষে জানুয়ারি মাসেই কেনার পরিকল্পনা করি। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২৭ জানুয়ারি বরিশালের রুপাতলীতে ওয়ালটনের শোরুম রাঢ়ী ইলেকট্রনিক্সে যাই। সেখান থেকে যাচাই-বাছাই করে ১৮ হাজার ৭০০ টাকা দিয়ে ২৮ ইঞ্চির একটি এলইডি টিভি কিনি।’

মো. রাহাত উদ্দিন বলেন, ‘ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন এবং অফার সম্পর্কে আগেই জানা ছিল। কারণ, আমি কয়েকজনকে কিনে দিয়েছি। তবে তারা ৫০০ বা হাজার টাকার বেশি কেউ পায়নি। টিভি কিনে আমিও ৫০০ বা হাজার টাকার বেশি পাব না বলে ধরে নিয়েছিলাম। কিন্তু কী কপাল আমার! এতদিন যা সবাই আশা করেও পায়নি, আমি তা আশা না করেই পেলাম।’

ওয়ালটনের এই ক্যাশ ভাউচার পাওয়াকে জীবনের সবচেয়ে বড় উপহার বলছেন রাহাত। তিনি জানান, লাখ টাকা পাওয়ায় তার সব আত্মীয়-স্বজন দারুণ খুশি। বেশি খুশি তার স্ত্রী। যার জন্য মূলত তিনি টিভিটি কেনেন।

ক্যাশ ভাউচারের এ টাকা দিয়ে কী কিনেছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লাখ টাকার এ ক্যাশ ভাউচার দিয়ে আরো দুটি টিভি, একটি ফ্রিজ, দুটি মোবাইল ফোন, ব্লেন্ডার, আয়রন, ফ্যানসহ বেশকিছু ঘরের জিনিস কিনেছি।’

উল্লেখ্য, ক্রেতাদের দোরগোড়ায় অনলাইনে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চালু করেছে ওয়ালটন। এই কার্যক্রমে ক্রেতাদের অংশগ্রহণকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রতিদিন দেওয়া হচ্ছে নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। ওয়ালটন প্লাজা এবং পরিবেশক শোরুম থেকে ১০ হাজার টাকা বা তার বেশি মূল্যের পণ্য কিনে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করে সর্বনিম্ন ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পাচ্ছেন ক্রেতারা। ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার এই সুযোগ থাকবে আগামী ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি পর্যন্ত।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩০ জানুয়ারি ২০১৮/অগাস্টিন সুজন/রফিক

Walton
 
   
Marcel