ঢাকা     শুক্রবার   ২০ মে ২০২২ ||  জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪২৯ ||  ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

ওসিসহ ১৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৩০, ২৩ জানুয়ারি ২০২২  
ওসিসহ ১৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

বসতঘর ভাঙচুর ও লুট করার অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ ইসলামসহ ১৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন। মামলার বাদী মো. পারভেজ আহম্মদ মামলা খারিজের বিষয়টি জানান।
 
মামলা খারিজের আদেশে বিচারক বলেন, ‘আসামিদের বিরুদ্ধে বাদীর পূর্ব কোনো বিরোধ বা শত্রুতা ছিল মর্মে নালিশী দরখাস্তে উল্লেখ নেই। আসামিরা সরকারি দায়িত্ব পালন করছিল মর্মে দেখা যায়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরে সরকারি কোনো অনুমোদন নেই। প্রেক্ষিত বিবেচনায় আসামিরা মাদক উদ্ধারের অভিযান পরিচালনা এবং বাদীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কারণে এ মামলার সৃষ্টি মর্মে দেখা যায়। সার্বিক বিবেচনায় এ মামলায় অগ্রসর হওয়ার কোনো কারণ নেই মর্মে প্রতীয়মান হয়। কাজেই ২০৩ ধারা মতে মামলাটি খারিজ করা হলো।’

এরআগে, ২০ জানুয়ারি মো. পারভেজ আহম্মদ নামের এক ব্যবসায়ী মামলা দায়েরের আবেদন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে রোববার আদেশের জন্য রাখেন।

মামলায় আরও যাদের আসামি করার আবেদন করা হয়, তারা হলেন-পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাউসার মাহমুদ, জহির উদ্দিন আহমেদ, নূরে আলম সিদ্দিকী, মো. সজিব খান, মামুন কাজী, মিল্টন দত্ত, মহিদুল ইসলাম, পার্থ মল্লিক, পিন্টু কুমার, মো. শাহরিয়ার নাঈম রোমান, মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, মো. আনোয়ারুল ইসলাম, মো. ফেরদৌস রহমান, এএসআই সোহেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, হরিদাস রায়, মো. আকিজুল ইসলাম এবং পুলিশের তথ্যদাতা খোকন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যায় পরিবারসহ বিয়ের দাওয়াতে যান পারভেজ আহম্মদ। রাত সাড়ে ১০টার পর তার পল্লবীর বাসা ও দোকানের চারিদিকে জড়ো হতে থাকে পুলিশ। রাত সোয়া ১২টার দিকে পারভেজ আহম্মদ জানতে পারেন, ওসি পারভেজ ইসলামের নেতৃত্বে অন্যরা তার ঘরের তালা ভেঙে তল্লাশি করছে। রাত ১টায় বাসায় ফিরে পারভেজ আহম্মেদ দেখতে পান, তার বাসার সব ঘর এলোমেলো। ঘরের বিভিন্ন গোপন স্থানে থাকা কাপড়, টাকা, স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বাসার সিসি ক্যামেরাও ভাঙচুর করেছে। এতে তার ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পারভেজ আহম্মদ বাসায় না থাকায় তার ভাইকে মিথ্যা অভিযোগে ধরে নিয়ে গেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পল্লবী থানায় মামলা দেওয়া হয়েছে। পারভেজ আহম্মদ, তার আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

ঢাকা/মামুন/এনএইচ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়