Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

চট্টগ্রামে সমুদ্র উত্তাল, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:০৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
চট্টগ্রামে সমুদ্র উত্তাল, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতি থেকে উপকূলীয় এলাকার জনসাধারণকে রক্ষা করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এবং জেলা প্রশাসন দুটি কন্ট্রোলরুম খুলেছে। প্রস্তুত করা হয়েছে সবগুলো আশ্রয়কেন্দ্র।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সমুদ্র উত্তাল থাকায় বন্দরে পণ্যখালাস বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সবগুলো আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জনসাধারণের যে কোনো প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুম নম্বর ০৩১-৬১১৫৪৫ ও ০১৭০০৭১৬৬৯১ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেতের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনও কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য ও সেবার জন্য চসিকের কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বরে (০৩১-৬৩৩৬৪৯ এবং ০৩১-৬৩০৭৩৯) যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রামে সমুদ্র উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরে বহিনোঙ্গরে অবস্থানরত সব মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস বন্ধ রাখা হয়েছে। সব লাইটার জাহাজ এবং মাছ ধরার ট্রলারসমূহ উপকূলে নোঙর করে রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম লাইটার শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মো. নবী আলম জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে লাইটার জাহাজে পণ্য উঠা-নামা বন্ধ রাখা হয়েছে। জাহাজগুলো নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক জানান, চট্টগ্রাম বন্দরকে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেয়ায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জরুরি প্রস্তুতি সভা আহ্বান করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বন্দরের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


চট্টগ্রাম/রেজাউল/বকুল

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে