ঢাকা     শনিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ৪ ১৪২৭ ||  ৩০ মহরম ১৪৪২

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর কাউন্টডাউন ৮ ডিসেম্বর

এসকে রেজা পারভেজ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:০৬, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর কাউন্টডাউন ৮ ডিসেম্বর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর (১৭ মার্চ) একশ দিন সামনে রেখে কাউন্টডাউন শুরু হবে আগামী ৮ ডিসেম্বর।

কিভাবে বা কোন প্রক্রিয়ায় এই কাউন্টডাউন শুরু হবে- তা প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও এ নিয়ে এরই মধ্যে কাজ চলছে পুরোদমে। তবে ইতিহাসের মহানায়কের জন্মদিন পালনের আগে এই ক্ষণ গণনা খুব বড় আকারে আয়োজন হবে। এমন কি সারা দেশে একযোগে এই কাউন্টডাউন শুরু হতে পারে।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির দায়িত্বরত যুগ্ম সচিব সৈয়দ নাসির এরশাদ রাইজিংবিডিকে বলেন, ৮ ডিসেম্বর থেকে কাউন্টডাউন শুরু হবে। তবে এই প্রক্রিয়া এখনো বলার মতো পর্যায়ে আসেনি। সবই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

আরেক যুগ্ম সচিব অজয় কুমার চক্রবর্তী রাইজিংবিডিকে বলেন, হতে পারে পুরো দেশেই একযোগে কাউন্টডাউন শুরু হবে। আবার রাজধানীর কোনো বিশেষ জায়গা যেমন বিমানবন্দর বা অন্য কোনো এলাকা থেকে কাউন্টডাউন শুরু হতে পারে। তবে এই অনুষ্ঠানে বড় ধরনের আয়োজন থাকছে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বিদেশে থাকায় এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে দুটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সভাপতি করে ১০২ সদস্য বিশিষ্ট ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি’ ও জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে সভাপতি করে ৬১ সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করা হয়।

শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ২০২০ সালকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী জাতীয় কমিটিতে সদস্য সচিব এবং অপর কমিটিতে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বাস্তবায়ন কমিটিতেও বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবসহ সরকারি কর্মকর্তা, লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রয়েছেন। দুটি কমিটিকেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সাচিবিক সহায়তা দেবে।

জাতীয় কমিটিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর বোন শেখ রেহানা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিরোধীদলীয় নেতা, সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, লেখক, শিল্পী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রয়েছেন।

জাতীয় কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, আগামী বছরের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতি, পরিকল্পনা ও কর্মসূচি অনুমোদন করবে এই কমিটি। এছাড়া জাতীয় কমিটি প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা দেবে বাস্তবায়ন কমিটিকে, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক কাজসহ বাস্তবায়ন কমিটির কার্যক্রম তত্ত্বাবধান, সমন্বয় সাধন, পরিবীক্ষণ ও অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং বাস্তবায়ন কমিটির প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি বিবেচনা করবে।

অপরদিকে বাস্তবায়ন কমিটি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন সংক্রান্ত সার্বিক পরিকল্পনা, কর্মসূচি ও বাজেট প্রণয়ন এবং জাতীয় কমিটির অনুমোদন নিয়ে তা বাস্তবায়ন করবে। জরুরি ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী বা জাতীয় কমিটির সভাপতির সরাসরি অনুমোদন নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা এবং পরবর্তীতে জাতীয় কমিটির অনুমোদন গ্রহণ করতে পারবে। বাস্তবায়ন কমিটি প্রয়োজনে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন ও সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।


রাইজিংবিডি/ঢাকা/৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯/রেজা/সাইফ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়