ঢাকা     মঙ্গলবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ৭ ১৪২৭ ||  ০৪ সফর ১৪৪২

বল টেম্পারিং করে নিষিদ্ধ পুরান

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:৫০, ১৩ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
বল টেম্পারিং করে নিষিদ্ধ পুরান

বল টেম্পারিংয়ের কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার নিকোলাস পুরানকে চার ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। বুধবার তাকে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

সোমবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষটিতে নখ দিয়ে বলের অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর চেষ্টা করেন পুরান। যা আইসিসির আচরণবিধির লেভেল-৩ লঙ্ঘন। তিনি তার দোষ স্বীকার করে আইসিসির দেওয়া শাস্তি মেনে নেন।

এই নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে পরবর্তী চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে খেলতে পারবেন না।

পুরানের বিরুদ্ধে আইসিসির ২.১৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। যেখানে বলা আছে বলের অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর বিষয়টি। সোমবারের ম্যাচের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায় পুরান তার বৃদ্ধাঙ্গুলির নখ দিয়ে বলের কন্ডিশন পরিবর্তন করার চেষ্টা করছেন।

এই কাজ করায় তাকে পাঁচটি ডেমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে। সে কারণে তিনি দুটি টেস্ট অথবা চারটি ওয়ানডে অথবা টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন। যেহেতু সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি-টোয়েন্টি সিরিজ রয়েছে, সে কারণে চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন তিনি।

তার বিরুদ্ধে বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ আনেন ফিল্ড আম্পায়ার বিসমিল্লাহ শিনওয়ারি ও আহমেদ ডুরানি এবং থার্ড আম্পায়ার আহমেদ পাকতিন। এরপর ভিডিও ফুটেজ দেখে বিষয়টি নিশ্চিত হন তারা। আর ম্যাচ রেফারি ও আইসিসির এমিরেটস এলিট প্যানেলের আম্পায়ার ক্রিস ব্রড তার ওপর চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সুপারিশ করেন। মঙ্গলবার পুরান তার কৃতকর্ম স্বীকার করে নেন। সে কারণে আনুষ্ঠানিক কোনো শুনানির প্রয়োজন হয়নি।

অনুতপ্ত নিকোলাস পুরান বলেছেন, ‘আমি বুঝতে পেরেছি যে আমি খুবই মারাত্মক একটি ভুল করেছি। আমি আইসিসির দেওয়া শাস্তি মেনে নিচ্ছি। আমি সবাইকে নিশ্চিত করে বলতে চাই যে এটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং ভবিষ্যতে এটার পুনরাবৃত্তি করব না। আমি এটা থেকে শিক্ষা নিয়ে আরো শক্তিশালী ও বিজ্ঞভাবে ফিরে আসব। সোমবার লক্ষ্ণৌর মাঠে যেটা হয়েছে সেটার জন্য আমি আমার সতীর্থ, আফগানিস্তান দল ও সমর্থকদের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

এই ধরনের অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি হলো ৪টি সাসপেনশন পয়েন্ট, যা ৫টি ডিমেরিট পয়েন্ট হিসেবে খেলোয়াড়ের রেকর্ডে যুক্ত হয়। যার ফলশ্রুতিতে দুটি টেস্ট কিংবা চারটি ওয়ানডে/টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়। আর সর্বোচ্চ শাস্তি হল ১২টি সাসপেনশন পয়েন্ট যা ৬টি ডিমেরিট পয়েন্টে রূপান্তরিত হয়ে খেলোয়াড়ের রেকর্ডে যুক্ত হয়। পুরান সর্বনিম্ন শাস্তিটিই পেয়েছেন।


ঢাকা/আমিনুল

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়