ঢাকা     শুক্রবার   ১৪ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ৩০ ১৪২৭ ||  ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

‘মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান ছিল, সম্পর্কে যেন আতঙ্ক না আসে’

291 || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:২২, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯  
‘মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান ছিল, সম্পর্কে যেন আতঙ্ক না আসে’

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অপরিসীম অবদান ও সহযোগিতা ছিল বলে মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, এখন যেন সম্পর্কে কোন দুশ্চিন্তা বা আতঙ্ক না আসে।

শুক্রবার রাজধানীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতির ৪৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক’- শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

ভারতের হাইকমিশনারের উপস্থিতিতে ওই অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনযুদ্ধ। এই যুদ্ধে ভারতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক এখন অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। তবে দু’দেশের সোনালি সম্পর্কের মধ্যে কোনো ধরনের দুশ্চিন্তা ও আতঙ্ক তৈরি যাতে না হয়, এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিন কোটি মানুষ ঘর ছেড়েছিল। ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল এক কোটি মানুষ। ভারতের অবদান ও সহযোগিতা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অসম্পূর্ণ।’

বিশেষ অতিথি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক যেমন ১৯৭১ সালে ছিল, ভবিষ্যতেও সেই সম্পর্ক থাকবে।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি লেখক সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর অবদান আমরা ভুলিনি। ’

তার অবদানের কথা স্মরণ করে রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউকে ইন্দিরা গান্ধী রোড করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার নেত্রী অ্যারমা দত্ত, ব্রিটিশ মানবাধিকার নেতা জুলিয়ান ফ্রান্সিস।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিচারপতি শামসুদ্দিন আহমেদ মানিক।


ঢাকা/হাসান/সাজেদ

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়