ঢাকা, রবিবার, ২১ আষাঢ় ১৪২৭, ০৫ জুলাই ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

হাঁটু পানিতে ঈদ জামাত: তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৬ ৯:৩২:১৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৫-২৭ ৭:৩৪:৪৯ এএম

সুপার সাইক্লোন আম্ফানের আঘাতে খুলনার উপকূল কয়রায় ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ মেরামতকালে হাঁটু পানিতে ঈদ-উল-ফিতরের জামাত আদায়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের অবসানে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের নির্দেশে এ কমিটি গঠন করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান রাইজিংবিডিকে জানান, তদন্ত কমিটিতে জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. ইকবাল হোসেনকে প্রধান করা হয়েছে।

এছাড়া অপর দুই সদস্য হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি- সার্কেল) মো. হুমায়ুন কবির ও কয়রার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নূর-ই-আলম সিদ্দিকী। গঠিত কমিটিকে অতিদ্রুত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে, ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ মেরামতের স্বার্থেই বাধ্য হয়ে ঈদের জামাত পানির মধ্যে আদায় করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর মধ্যে অন্যকোনো উদ্দেশ্য ছিল না বলেও দাবি করেছেন তারা।

খুলনার কয়রা উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, কয়রা উপজেলায় সরকারি সাইক্লোন শেল্টার রয়েছে ১১৬টি। এর বাইরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা মিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে দুই শতাধিক।

কয়রার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেন, মসজিদের বাইরে ঈদের নামাজ আদায়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা ছিল। তারপরও বাঁধ মেরামতকারীরা খোলা স্থানে নামাজ আদায় করেছে। তবে, সাইক্লোন শেল্টার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও মসজিদের বাইরে অন্য কোনো স্থানে ঈদের নামাজ আদায়ের বিষয়ে নির্দেশনা ছিল না। পুরো বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন।

পানির মধ্যে ঈদ জামাতে ইমামতি করা মাওলানা আ খ ম তমিজ উদ্দিন রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘বাঁধ ভেঙে মানুষের ঘর-বাড়ি, খেত-খামার সব পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় করোনা পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করেই গ্রামের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ বাঁধ মেরামতকে প্রাধান্য দিয়ে জড়ো হন। বাঁধ মেরামত করতে করতে ঈদ জামাতের সময় পেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় সেখানেই সংক্ষিপ্ত আকারে তিনটি জামাত আদায় করা হয়। কারণ, বাঁধ থেকে ফিরে এসে অন্য কোনো ভবনে নামাজ আদায় করতে গেলে জোহরের নামাজের সময় হয়ে যেত। এ কারণেই তারা বাধ্য হয়েছেন পানিতে নামাজ আদায় করতে।’

** হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায়!

 

নুরুজ্জামান/সনি

       
 

আরো খবর জানতে ক্লিক করুন : খুলনা, খুলনা বিভাগ