RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     শুক্রবার   ২৭ নভেম্বর ২০২০ ||  অগ্রাহায়ণ ১৩ ১৪২৭ ||  ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২

৪ কোটি টাকা নিয়ে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটর উধাও,আটক ৩

এম.শাহীন গোলদার || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:২১, ১৬ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
৪ কোটি টাকা নিয়ে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটর উধাও,আটক ৩

প্রতারণার শিকার হওয়া বিকাশ এজেন্টরা

সাতক্ষীরা সংবাদদাতা: এক হাজার এজেন্টের চার কোটি টাকা হাতিয়ে পালিয়ে গেছে ‘বিকাশ’ এর সাতক্ষীরা জেলা ডিস্ট্রিবিউটর।

ফারুক হোসেন নামের এই ডিস্ট্রিবিউটরের কোন হদিস মিলছে না। তার সব ফোন বন্ধ। তার অফিসে-বাড়িতে তালা ঝুলছে। এজেন্টদের বিক্ষোভের মুখে সদর থানা পুলিশ ‘বিকাশ’ অফিসের ম্যানেজারসহ তিনজনকে আটক করেছে।

বিকাশ এজেন্টরা জানান, অনেকদিন ধরে তারা চাহিদা মতো টাকা পাচ্ছিলেন না। তাদের জমা থেকে তিন লাখ টাকা চাইলে দেওয়া হতো এক লাখ। এভাবে বেশ কিছুদিন যাবত তাদের ব্যবসাও বাধার মুখে পড়তে থাকে। এ নিয়ে প্রায়ই তাদের সাথে ঝগড়া হয়ে আসছে।

এজেন্টদের অভিযোগ, বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটর তাদের টাকা হাতিয়ে নিয়ে হুন্ডির কাজে ব্যবহার করছেন। হয়তো অন্য কোনো গোপন ব্যবসার সাথেও জড়িয়ে গেছেন তারা।

বিকাশ এজেন্টরা জানান, আজ সকাল থেকে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটর ফারুক হোসেন ও তার অফিসের লোকজন অফিস থেকে উধাও। তাদের কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এমন কী এই অবস্থায় বিভাগীয় শহর খুলনায় অবস্থানরত জোনাল অফিসের লোকজনও এজেন্টদের ফোন ধরছেন না বলেও জানান তারা।

এজেন্টরা জানান, ডিস্ট্রিবিউটর ফারুক তাদের ফোন করে বলেন ‘যার যা টাকা দরকার সকাল দশটার আগেই আমার নম্বরে পাঠাতে হবে। বিষয়টি জরুরি’। তারা সকালেই টাকা পাঠানোর কিছুক্ষণ পর জানতে পারেন ফারুক তাদের সাথে প্রতারণা করেছে। সে তার লোকজন নিয়ে পালিয়ে গেছে। ফলে তাদের টাকা বিকাশ ডিলারের কাছে জমা থাকলেও তারা গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে পারছেন না। এজেন্টরা সাথে সাথে বিষয়টি পুলিশকে জানান।

খবর পেয়ে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তরিকুল ইসলাম বিকাশ ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে এসে তিনজনকে খুঁজে পান। এরা হলেন ইব্রাহীম, বিশ্বজিত ও মো. মাসুমবিল্লাহ।

এসআই তরিকুল ইসলাম জানান তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। অপরদিকে এজেন্টরা এ ব্যাপারে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে জানতে বিকাশ এর জোনাল অফিস খুলনায় ফোন করা হলেও কেউ রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এসে অভিযোগকারী এজেন্টদের মধ্যে রয়েছেন, আদর এন্টার প্রাইজ, সোহেল এন্টার প্রাইজ, বুলবুল টেলিকম, মোবাইল প্যালেস, আহানাজ ফটো, কেসিও ওয়াচ, জয়া এন্টারপ্রাইজ, খোকন বুক ডিপো, রমজান টেলিকম, রাজু টেলিকম, রাজধানী এন্টারপ্রাইজ, জননী স্টোর, একে ইলেকট্রনিকস, তোহা মোবাইল, আরজু এন্টারপ্রাইজ, সাদিয়া এন্টারপ্রাইজ, সুমাইয়া টেলিকম, মামুন এন্টারপ্রাইজ, রেজা এন্টারপ্রাইজ, তানভির স্টোর ও স্বপন এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধিরা।

 

রাইজিংবিডি/ সাতক্ষীরা/১৬ জুলাই ২০১৯/ শাহীন গোলদার/টিপু

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়