ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ কার্তিক ১৪২৬, ১২ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

‘সাহিত্যে স্থানিকতা জরুরি, তাকে আন্তর্জাতিকতার সঙ্গে মেলাতে হবে’

নিরীক্ষাধর্মী সাহিত্যের জন্য সমাদৃত শাহাদুজ্জামান। গল্প-উপন্যাস তাঁর প্রধান ক্ষেত্র।

স্বকৃত নোমানের গল্প || শুকলাল ডোম

শুরুতেই আপনাদের জানিয়ে রাখি, বহুদিন ধরে একটি চরিত্র আমার মাথায় বসবাস করছে।

ছোটগল্প || সন্দেহ

নিউ ইয়র্কের আকাশ মেঘলা আর সেই সঙ্গে ঝিরঝির বৃষ্টি। অথচ গত রাতেও আবহাওয়া পূর্বাভাস দিয়েছিল, আকাশ পরিষ্কার থাকবে, তাপমাত্রা থাকবে ষাট ডিগ্রি ফারেনহাইট।

ভবা-ভবির জন্মদিন || টোকন ঠাকুর

দেশভাগের পর নদী সীমান্তরেখা হয়ে গেছে। নগর কোলকাতার কয়েকজন থিয়েটারকর্মী এসেছে নদীর পাড়ে, যার ওপারেই বাংলাদেশ বা তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান।

শাহ্‌নাজ মুন্নীর গল্প || কুলপদ্দীর বানরেরা

‘বানরের গল্প শুনবেন?’

একদম কানের কাছে হঠাৎ এই প্রশ্ন করে আমাদের প্রায় চমকে দিয়ে সন্ধ্যার আবছা অন্ধকার ফুঁড়ে বেরিয়ে আসে লোকটা।

অতিপ্রাকৃত গল্প || খাতা

বাসের সবচেয়ে পেছনের সিটটাতে আমার কখনো বসতে ইচ্ছে করে না। আমার ধারণা, নিতান্ত বাধ্য না-হলে কেউ ওই সিটে বসে না।

শামসুর রাহমানের কবিতা : শিল্পের অধিকারের প্রশ্নে

আমার কবিতা গণ-অভ্যূত্থানের চূড়ায় নূহের

দীপ্তিমান জলযান, আমার কবিতা বলিভিয়ার জঙ্গলে

সাঈদ আজাদের গল্প || গন্ধ

ক.

মাঘ মাস। রাতগুলোতে এখন জাড় পড়ে জবর! ঠান্ডায় একেবারে হাড়ে কাঁপন ধরে যায়। বাড়িটার উত্তর দিক খোলা বলে শীত যেন বেশিই লাগে।

‘ভবে মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার’

এক বিকেলে কালী নদীর তীরে দাঁড়িয়ে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। লম্বা চুল-দাড়িওয়ালা ফকির।

দ্য হ্যান্ডমেইড’স টেল: অ্যাটউডের ডেসটোপিয়ান উপন্যাস

‘দ্য হ্যান্ডমেইড’স টেল’ হলো বিংশ শতকের উল্লেখযোগ্য নারীবাদী উপন্যাস। উপন্যাসটির রচয়িতা কানাডার কবি ও কথাসাহিত্যিক মার্গারেট অ্যাটউড।

দৈববাণী || পেটার হান্ডকে

কোথায় শুরু করবো?

সব কিছু সংযুক্তির বাইরে আর টলোমলো।

বাতাস কম্পিত তুলনায়।

আমি কনজারভেটিভ ক্লাসিক্যাল লেখক: পেটার হান্ডকে

একই দিনে একসঙ্গে ঘোষণা করা হলো ২০১৮ ও ২০১৯ সালের নোবেল পুরস্কারজয়ী দুজন কথাসাহিত্যিকের নাম।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌র গল্প ‘না কান্দে বুবু’

সেবার মাঝের হাট নিবাসী আফতাবউদ্দিন শহর থেকে বাড়ি ফেরার সময়ে পাড়ি দেয় এক দীর্ঘ নৌপথ। দীর্ঘ, কারণ, আফতাবের মনে হয়েছিল বারবার যে ওই পরিচিত পথটি কেন যেন শেষ হতে চাচ্ছে না।

প্রতিটি শব্দে যুক্ত করতে চেয়েছি আমার বোধ-বিন্যাস ও পাঠক্রিয়া

হাবীবুল্লাহ সিরাজীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৭৫ সালে; ‘দাও বৃক্ষ দাও দিন’। দু’বছর পর প্রকাশিত হয় ‘মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি’। বইটি তাঁকে পাদপ্রদীপের আলোয় নিয়ে আসে, তিনি প্রশংসিত হন।

পূজার গল্প || বিসর্জন

আজ দ্বিতীয়া। গত তিন, চার মাসের ব্যস্ততা আজ আর নেই। মতিন, মিনু, ছোটু, শিউলির মত তাদের জনাদশেক বাচ্চাদেরও মন ভালো নেই।