Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     শনিবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||  আশ্বিন ৩ ১৪২৮ ||  ০৯ সফর ১৪৪৩

ট্রুডোসে একদিন

রাকিব হাসান রাফি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:২১, ২২ জুলাই ২০২১   আপডেট: ১৭:৪৪, ২২ জুলাই ২০২১
ট্রুডোসে একদিন

ট্রুডোসের উপরিভাগে অবস্থিত ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বেস ক্যাম্প।

আয়ারল্যান্ড ছাড়া ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রায় সব দেশে আমার পদচারণা হয়েছে। পূর্বে তুরস্ক ও বুলগেরিয়া থেকে শুরু করে পশ্চিমের পর্তুগাল কিংবা উত্তরে আর্কটিক সার্কেলে অবস্থিত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপের দেশ সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক থেকে শুরু করে আইসল্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ৩৫টির মতো দেশ এখন পর্যন্ত ভ্ৰমণ করার সৌভাগ্য হয়েছে। তবে বেশ কিছু কারণে ৩,৫৭২ বর্গমাইলের ছোট দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসকে একেবারে বিশেষ মনে হয়েছে। 

দেশটি না ইউরোপের, না এশিয়ার। ভৌগলিকভাবে সাইপ্রাসের অবস্থান এশিয়া মহাদেশে, পূর্ব ভূ-মধ্য সাগরে অবস্থিত এ দ্বীপরাষ্ট্রটি জলপথে সরাসরি সিরিয়া, লেবানন, তুরস্ক, ইসরাইল ও গাজা স্ট্রিপের সঙ্গে সংযুক্ত। এ কারণে অনেকে সাইপ্রাসকে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ হিসেবে আখ্যা দেন। 

অন্যদিকে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উভয় দিক থেকে সাইপ্রাস এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় গ্রিস তথা ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই ইউরোপিয়ানরা সাইপ্রাসকে নিজেদের মহাদেশের কোনো দেশ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এ কারণে গ্রিসের সুপারিশে ২০০৪ সালে সাইপ্রাসকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০০৭ সালে সিপ্রিয়োটিক পাউন্ডের পরিবর্তে দেশটির জাতীয় মুদ্রা হিসেবে ইউরোর ব্যবহার শুরু হয়।

পাফোসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে লেখক (বাঁ থেকে প্রথম)

২০২০ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহের ঘটনা— সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার পর এক মাসের ছুটি পাই। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস তখনও বিশ্বের বুকে ভয়ার্ত থাবা বসায়নি। ইউরোপের পরিস্থিতি বলতে গেলে একেবারে স্বাভাবিক। গ্রীষ্মকালে ইউরোপের ট্যুরিজম সেক্টর চাঙ্গা থাকে। অন্যদিকে শীত মৌসুমে ইউরোপের ট্যুরিজম সেক্টর অনেকটা ঝিমিয়ে পড়ে। তাই যারা কম বাজেটে ইউরোপের কোনো দেশ ঘুরতে চান, তাদের জন্য শীতকালই সবচেয়ে ভালো সময়। 

যেহেতু আমি স্টুডেন্ট এবং আমার বাজেট কখনও খুব বেশি থাকে না- তাই সব সময় চেষ্টা করি তুলনামূলক কম খরচে ভ্রমণের সর্বোচ্চ তৃপ্তি অর্জন করতে। এজন্য জানুয়ারির শেষ সপ্তাহের ছুটিকে সাইপ্রাস ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে ভালো সময় মনে হলো। 

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাতে অবস্থিত সোয়েচাট ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে সাইপ্রাসের লারনা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর জন্য ১৪ ইউরোতে বিমানের টিকেটও পেয়ে যাই। সব মিলিয়ে ছোটো এ দ্বীপ দেশটিতে চারদিন থাকার সিদ্ধান্ত নিই। 

দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় ইউরোপের যে কোনো দেশ থেকে সাইপ্রাসে পৌঁছানোর জন্য অ্যারোপ্লেন প্রধান মাধ্যম। গ্রিস কিংবা তুরস্ক থেকে প্রমোদতরীর সাহায্যেও সাইপ্রাসে পৌঁছানো যায়। গ্রিক সাইপ্রাসে দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। একটি হচ্ছে লারনাকা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, অন্যটি পাফোস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। তবে আয়তনের দিক থেকে এয়ারপোর্ট দুটি তেমন বড় নয়।

ট্রুডোসকে বেস্টন করে রাখা এ সব ছোট গ্রামগুলো ওয়াইন উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। বাইজেনটাইন শাসনামলে এসব গ্রামকে ঘিরে অর্থোডক্স মনাস্টেরি (সন্ন্যাসীদের আশ্রম) গড়ে তোলা হয়েছিল।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত যে কোনো দেশের বৈধ ভিসা কিংবা রেসিডেন্ট পারমিট থাকলে সহজে সাইপ্রাস ভ্রমণ করা যায়। এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন অফিসার সাইপ্রাসে প্রবেশের সময় পাসপোর্টে একটি অ্যারাইভাইল সিল মেরে দেন। 

ফেসবুকে ‘বাংলাদেশি কমিউনিটি ইন সাইপ্রাস’ নামে একটি গ্রুপ রয়েছে। সাইপ্রাস ভ্রমণের আগে সেখানে আমি পোস্ট দিয়েছিলাম। ভ্রমণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় জানতে পোস্টটি দেওয়া। সেই পোস্টের বিপরীতে বেশ কয়েকজন কমেন্ট করেছিলেন। তারা সবাই আমাকে ট্রুডোসে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

সেই ফেসবুক পোস্টের কল্যাণে আমার সঙ্গে অয়ন শাহ নামে সাইপ্রাস প্রবাসী এক বাংলাদেশি ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হয়। অয়ন ভাই বর্তমানে সাইপ্রাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী হিসেবে পরিচিত লিমাসলের বাসিন্দা। তিনি নার্সিংয়ের ওপর কোর্স সম্পন্ন করছেন। পাশাপাশি একটি চোখের হাসপাতালে কাজ করেন। 

অয়ন ভাই আমাদের নোয়াখালীর সন্তান। আমার ফেসবুক পোস্টটি তার নজরে আসার পর তিনি আমাকে ইনবক্সে নক দিয়েছিলেন। তার সহযোগীতায় ট্রুডোস ঘুরে দেখার সৌভাগ্য হয়। মানুষ হিসেবে অয়ন ভাই ভীষণ আন্তরিক ও অমায়িক। পুরো সাইপ্রাস ট্যুরে যে কয়জন বাংলাদেশি ভাইয়ের সাহচার্য পেয়েছিলাম, তাদের মধ্যে অয়ন ভাইয়ের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ‌্য।

শীত মৌসুমে সাইপ্রাসে বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছে ট্রুডোসের গুরুত্ব বেড়ে আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে। তবে সরাসরি সেখানে পৌঁছানোর জন্য কোনো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পাওয়া যায় না। অয়ন ভাই আমাকে তার গাড়িতে করে ট্রুডোসে নিয়ে গিয়েছিলেন।

ভূ-মধ্যসাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসের আবহাওয়া অনেকটা সমভাবাপন্ন। এ কারণে সাইপ্রাসে শীতকালে তেমন তুষারপাত হয় না। তাই শীতকালে যদি কোনো পর্যটক দেশটিতে তুষারপাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান, তাহলে তার জন্য ট্রুডোস একমাত্র অপশন। কারণ, গোটা সাইপ্রাসের মধ্যে শুধুমাত্র ট্রুডোসে তুষারপাত দেখা যায়। সাইপ্রাসের একমাত্র স্কি রিসোর্টের অবস্থানও ট্রুডোসেই। 

শীতকালে যেসব দর্শনার্থী সাইপ্রাসে বেড়াতে যান, তাদের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হয় ট্রুডোস। সমগ্র সাইপ্রাসের মধ্যে কেবলমাত্র ট্রুডোসেই তুষারপাত দেখা যায়।

ট্রুডোস হলো সাইপ্রাসের সবচেয়ে বড় মাউন্টেন রেঞ্জ। পূর্ব ভূ-মধ্যসাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসের অনেকটা মাঝ বারবার এ মাউন্টেন রেঞ্জের অবস্থান। সাইপ্রাসের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম মাউন্ট অলিম্পাস, যা এ মাউন্টেন রেঞ্জের মধ্যে অবস্থিত। 

মাউন্ট অলিম্পাসের উচ্চতা আনুমানিক সাড়ে ছয় হাজার ফুটের কাছাকছি। অবশ্য স্থানীয় অধিবাসীদের অনেকে মাউন্ট অলিম্পাসের পরিবর্তে ‘চিনোইস্ত্রা’ নামটি বেশি ব্যবহার করেন। মাউন্ট অলিম্পাসকে বেস্টন করে রাখা গ্রামগুলো ওয়াইন উৎপাদনের জন্য গোটা সাইপ্রাসে বেশ পরিচিত। বাইজেনটাইন শাসনামলে এসব গ্রামকে ঘিরে মনাস্টেরি (সন্ন্যাসীদের আশ্রম) গড়ে উঠেছিল। যেগুলো সাইপ্রাসে অর্থোডক্স খ্রিস্টানিটি প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

ট্রুডোসের উপরিভাগে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একটি বেজক্যাম্প রয়েছে। ট্রুডোসে বেড়াতে আসা বেশিরভাগ দর্শনার্থী এ বেজক্যাম্পের সামনে ছবি তুলতে ভালোবাসেন। আমরাও এ বেজক্যাম্পের সামনে ছবি তুলেছি। আমাকে দেখামাত্র এক ব্রিটিশ সেনা মুচকি হাসতে লাগলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, ‘হেই ম্যান, হাউ আর ইউ ডুয়িং?’ 

বললাম, ‘আই অ্যাম হ্যাভিং এ গ্রেট টাইম হেয়ার ইন ট্রুডোস।’ সে রাতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে লিভারপুলের ম্যাচ ছিল। 

আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘ম্যানচেস্টার ইউনাটেড? অর লিভারপুল?’ তিনি ডান হাতের দু আঙ্গুলকে অনেকটা ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’ এর মতো করে উপরে তুললেন এবং বললেন, ‘ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।’ তার সঙ্গে দায়িত্বে থাকা অপর সেনাসদস্য উত্তর দিলেন, ‘নো ম্যানচেস্টার, নো লিভারপুল। অনলি আর্সেনাল ইজ রিয়েল।’ ইচ্ছা ছিল তাদের দুজনের সঙ্গে ছবি তুলব কিন্তু দায়িত্বরত অবস্থায় তাদের কাছে এ ধরনের অনুরোধ করার সাহস হয়নি।

অয়ন ভাইয়ের আন্তরিকতার সৌজন্য ট্রুডোস ঘুরে দেখার সৌভাগ্য লাভ করি (বামে লেখক ও ডানে লিমাসল প্রবাসী অয়ন শাহ)।

ট্রুডোসে পা রাখার পর আমার কাছে সবচেয়ে আশ্চর্য লেগেছে একটি কথা চিন্তা করে। পুরো পাহাড় যেখানে কয়েক ইঞ্চি পুরো সাদা তুষারে ঢেকে গেছে সেখানে আশেপাশের কোনো পাহাড় কিংবা উচ্চভূমিতে তুষারপাতের বিন্দুমাত্র কোনো চিহ্নও নেই। ট্রুডোসের প্রবেশপথের কারপার্কে দায়িত্ব পালন করা এক পুলিশ সদস্যকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলাম কিন্তু তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। 

শীতের ঋতুতে তুষারপাতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ট্রুডোসে হাজারো দর্শনার্থীর সমাগম হয়। অনেক সময় দর্শনার্থীদের ভিড় এত প্রবল থাকে যে, এক বর্গফুট ফাঁকা জায়গা খুঁজে বের করাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। 

ট্রুডোসে প্রতি পদক্ষেপ যেন আমাকে বারবার ডিজনির বিখ্যাত এনিমেশন মুভি ‘ফ্রোজেন’ এর দৃশ্যপটকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিলো। শিমুল তুলার মতো শুভ্র তুষারের প্রতিটি কণা নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন হয়ে ধরা দিচ্ছিলো। সেই সঙ্গে সকালের সূর্যকিরণ যখন তুষারের ওপর প্রতিফলিত হচ্ছিলো, মনে হচ্ছিলো মাটির বুক চিরে আপনাআপনি স্বর্ণ বেরিয়ে আসছে। তুষারপাতের দৃশ্য যত মনরোমই হোক না কেনো, বৃষ্টিপাতের মতো রোমান্টিসিজম তৈরি করে পারে না। এ কারণে শিল্প-সাহিত্যে বৃষ্টিপাত যেভাবে স্থান পেয়েছে, তুষারপাত তেমনটি পায়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা কী সেটাও জানি না।

আগেই বলেছি- আয়ারল্যান্ড ছাড়া ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত প্রায় সব দেশে ভ্রমণের সৌভাগ্য হয়েছে। তবে সাইপ্রাসকে আমার কাছে বিশেষ মনে হয়েছে। ট্রুডোসের পাশাপাশি নিকোশিয়া, আইয়া নাপা, লারনাকা ও পাফোসের মতো সাইপ্রাসের অন্যান্য স্থানেও যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। ভবিষ্যতে আশা করি এসব স্থান নিয়েও লিখব।

সাইপ্রাসের রাজধানী নিকোশিয়াতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে লেখক (বাঁ থেকে দ্বিতীয়)

সাইপ্রাসে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো সেখানকার বাংলাদেশ কমিউনিটি। ইতালি, স্পেন, গ্রিস, জার্মানি, সুইডেন ও পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের সুযোগ হয়েছে। সেখানকার বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গেও পরিচিত হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। তবে সাইপ্রাসের বাংলাদেশি কমিউনিটি একেবারে বিশেষ এবং সাংগঠনিক দিক থেকে তারা খুবই করিৎকর্মা। 

বিশ্বের প্রায় সব দেশে দুৰ্ভাগ্যবশত বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে বিভিন্ন ধরনের বিভাজন রয়েছে। তবে সাইপ্রাসে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে এ বিভাজন দেখা যায়নি। যে কোনো প্রয়োজনে তারা একে অন্যের পাশে থাকতে চেষ্টা করে। তাদের সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টার কারণে নিকোশিয়া, লিমাসল ও পাফোসের মতো সাইপ্রাসের প্রধান তিনটি শহরে বাংলাদেশিরা শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে। 

লারনাকার রাফি ভাই, মাসুদ ভাই ও সুলতান ভাই থেকে শুরু করে নিকোশিয়ার মাহাফুজুল হক চৌধুরী ভাই ও সুজন ভূঁইয়া ভাই কিংবা লিমাসলের অয়ন শাহ ভাই অথবা পাফোসের মশিউর ভাই, সাকিব ভাই ও নূর উদ্দিন ভাইসহ সাইপ্রাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশির প্রতি আমি সমানভাবে কৃতজ্ঞ। 

তাদের কাছ থেকে যে ধরনের সহযোগিতা পেয়েছি, তা কোনো দিন ভোলার মতো নয়। সাইপ্রাস আমাকে ভিন্ন এক ভালোবাসার আবহে বেঁধেছে। যে ভালোবাসা কোনো দিন ছিন্ন হবে না।

লেখক : শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় বর্ষ, ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন ফিজিক্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, ইউনিভার্সিটি অব নোভা গোরিছা, স্লোভেনিয়া।

সাইপ্রাস/সনি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়