যে চোখে আগুন জ্বলেমীর মোস্তাইন বিল্লাহ্
হরিণীর চোখ দিয়েহৃদয়টা খুড়ে নিয়েপ্রজাপতি ডানা মেলেছন্দ তুলে হেলেদুলেহাওয়ায় ভেসে ভেসে একেবেঁকে হেসে হেসে সুনামীর ঢউে তুলেকোথা যাও, যাও চলে!সুনয়না! কার তরে চারদিকি আলো করেযাও তুমি উড়ে উড়েআমার হৃদয় চিরে!
চুম্বকত্বসাইফুল আহমেদদূরে, আর কতটা দূরে গেলেকাছে আসবে তুমি?তুমি বলো, ‘আমরা দুই বিপরীত মেরু,উত্তর-দক্ষিণ।দুজনার মাঝে প্রশান্ত, সাহারাআরও কত কী,আমাদের হয় নাকো মিল।’আমি বলি, ‘তাই তো ঠিক,বিপরীত মেরুকেই তো কাছে টানে চুম্বক।প্রশান্ত, সাহারা পড়ে থাকমধ্যার্কষণে পৃথিবীতে ছুটে আসা বস্তুর মতো আমরা ছুটে আসবো দুজনার পানেইহৃদয়ে যদি থাকে চুম্বকের টান।’
কবিতাও গুম হবে একদিনরফিক মুয়াজ্জিন
কবিতাও গুম হবে একদিনযেমন গুম হয়েছে ভাটিয়ালি, জারি-সারিমাইকেল জ্যাকসন অপহরণ করেছে বাবার পুঁথি পাঠের সুরমা-মাসির মসলিন শাড়ি সেই কবেহেঁচকা টানে খুলেছে বিদেশী বেনিয়াবোনের বুক-জমিনে সাঁটিয়েছে পুঁজিবাদী বিলবোর্ড বাবার মতো যে বড় ভাইইয়াবা খায় আরঘুমাতে ঘুমাতে জেগে থাকেজেগে জেগে ঘুমায়কবিতাও গুম হবে একদিন- এই ভেবেভাবতে ভাবতে দিন যায়দিন যায় ভাবতে ভাবতেআমার আর কবিতা লেখা হয় না।
কী? আমিনুল ই শান্তকোনদিন আচমকা এসে যদি পাশে এসে দাঁড়াই- অবিন্যস্ত একটি গোলাপ হাতে। তবে কী ঠেলে দিবে সমস্ত অভিমানসমুদ্রের জলে?
ভালোবাসার মর্মবাণীমানিক মজুমদার ভরা পূর্ণিমার চাঁদের আলোর মাঝেসহসা চোখ পড়তেই তোমার মুখচ্ছবিভেসে উঠলো।মায়াবী চাঁদের আলোকচ্ছটাযেমন-পৃথিবীর সকল অন্ধকার দূরীভূত করেতোমার দর্শনে আমিও তেমনি আলোকিতপুলকিত হই।অবেলায় হলেও ভালোবাসার মর্মবাণীআমায় উজ্জীবিত করে,আমি হারিয়ে যাই গোধূলী বেলায়কাশফুলে ঘেরা নদী তীরে নির্জন মাহেন্দ্রক্ষণে।গভীর নিশিতে চারতলার ব্যালকনিতেউঁকি মারে অবুঝ নয়ন।ঘুমজাগা রাত, প্রভাতে তোমারই স্বপ্নদিনমান আমাকে রাখে মোহাচ্ছন্ন।ক্রমশই আমি হারিয়ে যাই-তোমাতে,যখনি মুঠোফোনে তোমার ছবিটি ভেসে ওঠেসুমধুর রিংটোনে-তখনই ব্যাকুল হয়ে ওঠে হৃদয়;সুকণ্ঠি প্রিয়ার বাক্যালাপেশুষ্ক প্রাণে জোয়ার লাগে।বিদায়ের চুম্বন সর্বাঙ্গে প্রলেপ দিয়েঅপেক্ষার প্রহর গুনি। রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩০ জুন ২০১৪/তাপস রায়