হাসির উপকরণব্যাকরণ, উপাদান, সমাধান সবই ধরাধরি করে গড়াগড়ি খাচ্ছে চারপাশে। তারপরও আমরা যারা হাসি না, তাদের গণহারে নির্বাচিত করে সরাসরি নির্বাসনে পাঠানো উচিত। জোর করে হাসিকে উপেক্ষা করা স্বাধীন দেশে দুঃসাহস বটে! হাসি খুশি সুখী— শব্দগুলো ছোটবেলা থেকেই কি দারুণ লাগে পড়তে, মধুর লাগে শুনতে। আহা! তবুও আমরা যারা হাসি খুশি বা সুখী হওয়ার ভান করি, তাদের অনেকেই হাসিরও ভান ধরি। মন থেকে হাসি না। হাসতে ভালোবাসি না।
দেখুন, আমরা যারা হাসি না, তারা কি ফেসবুক ব্যবহার করি না? তারা কি দৈনিক পত্রিকা পড়ি না? তারা কি দখল হওয়া ফুটপাতে জায়গা না পেয়ে মূল রাস্তা দিয়ে রিসক্ নিয়ে হাঁটি না? বাসে সিট না পেয়ে হ্যান্ডেল ধরে জ্যামে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঝুলে থাকি না? সন্ধ্যা-রাতভর মশার প্যাঁ পোঁ শব্দে বিনোদিত হই না? বিলক্ষণ হই। তবুও কেন আমরা হাসি না?
আমরা যারা হাসি না, তারা মূলত সুখীর শত্রু। খুশির শত্রু। আমাদের চিহ্নিত করে নিয়মিত তিনবেলা ভর্ৎসনা করা উচিত। আমরা পেটে-ভাতে আর নানা অজুহাতের মধ্যেও যুগের পর যুগ এত সুখে আছি, তারপরও হাসতে চাই না। আমরা যারা হাসি না, তারা দুষ্টু, তারা মূর্খ। তারা বিরোধী দল। তাদের বিরুদ্ধে ঈদের পর আন্দোলন!
ইমোজির মেলা বনাম ইজ্জতের খেলা
আমরা যারা হাসি না, তারাও তো জানি, মানুষের জন্মটাই হাসি-কান্নার মিশেলে। যে জন্মায় তার মুখে কান্না, বাকিদের মুখে হাসি। তারপর থেকে কান্না-হাসির দোলায় দুলতে দুলতে, দুঃখ কষ্ট বেদনা ভুলতে ভুলতে, ‘সময়ের খেত’ থেকে সাফল্য ব্যর্থতার ফসল তুলতে তুলতে সর্বশেষ না চাইলেও তুলতে হয় ‘পটল’! নিয়তি নির্ধারিত।
প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই আমরা হাসছি। কারণে-অকারণে। বুঝে না বুঝে। মানুষ সামাজিক জীব। আর সমাজের সবচেয়ে বড় ‘ফেয়ারনেস ক্রিম’ হলো হাসি। প্রবাদে যতই বলা হোক, ‘দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বুঝুন’ উঁহু, বিষয়টা এত সহজ নয়। টুথপেস্টের দাম শুনে ঘাম বের হয়, ডেন্টিস্টের বিল দেখে ‘দিল’-এ চোট লাগে; তাই ৩২ পাটি দাঁত বের করে হাসাটা উচ্চবিত্তের ‘লাক্সারি’ ছাড়া কিছুই নয়। ফলে আন্ডার মধ্যবিত্তের হাসি এখন আর অন্তর থেকে আসে না, আসে ফাইভ জি ইন্টারনেটের হাই-স্পিড ‘ডেটা প্যাক’ থেকে। যেটাকে বলা যায় ‘ডিজিটাল হাসি’।
বর্তমানে, এই ডিজিটাল যুগে হাসি আরও পরিশীলিত হয়েছে। মানুষ কতটা সামাজিক হয়েছে, সেটা মুখ্য নয়। বড় কথা প্রায় ৫২৪ কোটি মানুষ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। সংখ্যাটা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি। এই বিশালসংখ্যক মানুষ বাস্তবের চেয়ে ছবি ভিডিওতেই বেশি হাসে। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে আমরা অনেকেই এমনভাবে হাসি, যেন জীবনে কোনো অপূর্ণতা নেই। ক্যামেরা সরে গেলে হাসিও সরে যায়। নিজেদের সোশ্যাল হ্যান্ডেল দেখে নিজেদেরই ‘হা হা’ হাসি পায়। কারণ আমরা সিরিয়াস লেখা পড়ে সিরিয়াল ধরে হাসি। খাবার মুখে খবরের শিরোনাম শুনে খ্যাকখ্যাক করে হাসি। আমরা সুখের খবরে হাসি আর দুঃখের খবরে হাসির ‘ইমো’ দেই।
আজকাল হাসির সবচেয়ে বড় বিবর্তন হলো ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট। কারো মৃত্যু সংবাদ বা দুর্ঘটনার নিউজেও ‘হা হা’ দিয়ে ফেলাটা আমাদের অনেকের ডিজিটাল শৌখিনতার অংশ। আমরা অট্টহাসির বদলে লিখি ‘LOL’, অথচ লেখার সময় আমাদের চেহারা থাকে ভাজা মাছ উল্টে খেতে না জানা বিড়ালের মতো গম্ভীর।
আমাদের হাসি এখন আর অনুভূতির বিষয় নয়, এটি এখন ‘রিচ’ বাড়ানোর ‘নীচ’ হাতিয়ার। যার যত রিচ, ইজ্জতের প্যারামিটার তত উঁচু! তবে শুধু ‘হা হা’ ইমো টিপেই নিজের দায়িত্ব শেষ করবেন না। প্রাণ খুলে হাসুন। মুখ খুলে হাসুন। দাঁত ব্রাশ করা না থাকলে অন্যদের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে হাসুন। আশপাশে কাউকে না পেলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হাসুন। নিজের হাসি নিজেকেই দেখান। চোয়ালের ব্যায়াম আর মনের আরাম দুটোই হবে।
বিখ্যাত লেখক মার্ক টোয়েন বলেছিলেন, ‘মানবজাতির সত্যিকার মোক্ষম অস্ত্র একটিই, সেটা হলো হাসি।’ বাপ্রে! টোয়েন সাহেব যদি এই যুগে থাকতেন, তাহলে দেখতেন, হাসিনামক অস্ত্র দিয়ে আমরা একে অপরকে কীভাবে ক্ষতবিক্ষত করছি। সোশ্যাল মিডিয়া ট্রলিং হলো সেই হাসির বিষাক্ত ‘ভার্সন’। কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নোংরা রসিকতা করে আমরা যে তৃপ্তি পাই, সেটাকে আদতে হাসি নয়, বলা যায় মানসিক বদহজম।
ট্রলের হাসি বনাম টোলের হাসি
আমরা যারা হাসি না, একসময় টিভি দেখলে তাদেরও হাসি পেত! কারণ তখন মানসম্মত হাসির অনুষ্ঠান হতো। এখনও টিভি দেখলে হাসি পায়, এই ভেবে এসব অনুষ্ঠান কে বানায় আর কে দেখে! কারণ টিভি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের টক-শোগুলো এখন স্ট্যান্ডআপ কমেডির চেয়েও অত্যাধিক বিনোদন ও সুড়সুড়িমূলক। দুই পক্ষের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রতিনিধি যখন একে অপরের ‘গুষ্টি কিলাই’ জাতীয় কথাবার্তার মাঝে ব্রেক দেওয়ার সময় ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসেন, তখন মনে হয় হাসি বুঝি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ‘ডিপ্লোম্যাটিক স্ক্যাম’।
হাসতে হাসতেই আমরা এসব ফাঁদে আটকা পড়ি। আগে সুশ্রী নায়িকার গালে টোলপড়া হাসি দেখে হৃদয়ে তুুফান বয়ে যেত। এখন টোলের চাইতে ট্রলের হাসি বেশি ভাইরাল। বিদেশি নায়িকার অনুকরণে দেশি নায়িকা ‘ডিম্পলপ্লাস্টি’ বা ডিম্পল ক্রিয়েশন সার্জারি করে দুই গালে ‘টোল’ বানাচ্ছে। আমরা এটা নিয়ে ‘ট্রল’ বানাচ্ছি। মিম বানাচ্ছি। নিজের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে নিজেরাই হাসাহাসি করছি। আশার কথা, তবু তো হাসছি।
হাসির রাজনীতি বনাম হাস্যকর রীতিনীতি
আমরা যারা হাসি, তারা ভালো সুখী নিরাপদ। তাই তো? আর যারা হাসি না? তারা কি রামগরুড়ের ছানা? মানা আছে হাসতে? নাহ্। হাসি খুশির ব্যবহার সভ্যতা-ভব্যতা এবং সামাজিক রীতিনীতি হলেও এটা এখন রাজনীতির অংশ। জীবদ্দশায় যা দেখছি, নেতা হাসে ফোকলা দাঁতে, চামচা হাসে সাথে সাথে! তাই, জনাব, অভয় দিলে বলি আপনারা যারা হাসাহাসির ওপর ‘জরুরি অবস্থা’ জারি করে রেখেছেন, তারাও প্লিজ হাসুন। ফেসবুকে বেশি বেশি হাসির ইমো ব্যবহার করুন। তাতে ‘এমবি’ খরচ হলেও ‘অ্যাম্বিয়েন্স’ আপনার অনুকূলে থাকবে। আজকাল আমরা আনন্দে কম, প্রয়োজনেই বেশি হাসি। অনেকেই সুখে নয়, সুযোগে হাসে। মনে রাখা দরকার, ক্ষমতাবানদের হাসি সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। তারা যখন হাসে, তখন দুর্বলরা ভয় পায়। সাধারণ মানুষের হাসি আনন্দের, ক্ষমতাবানের হাসি ইঙ্গিতের। আর রাজনীতিকের হাসি ভোট পাওয়ার ফাঁদ!
দেশের কোটি কোটি টাকা পাচার অথবা অন্যান্য পাপাচার সুরসুর করে দুর্নীতির খবর যতই বের হয়, ততই আমরা হাসি। হতে পারে সেই হাসি দুঃখের, কষ্টের, নিজের ভাগেরটা লুট হয়ে যাওয়ার বেদনার হাসি। হোক না। তবুও যেন দুষ্টুচক্র চক্রান্ত করেও আমাদের বক্র হাসি থামাতে না পারে।
কারণ হাসলে আখেরে আমাদেরই লাভ। মন ভালো থাকবে, স্বাস্থ্যও। চিকিৎসাবাবদ অনর্থক অর্থব্যয় হবে না। নিজ দেশের চিকিৎসাসেবা যথাযথ না হলেও সহজে ভিনদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ, এটা ভেবেও তো হাসিখুশি থাকা যায়। আর তাই, সবসময় কর্তৃপক্ষের প্রতি নিজের ‘হাস্যকর’ সমর্থন প্রদর্শন করুন। তাতে মানসিকভাবে অস্বস্তিতে থাকলেও শারীরিকভাবে স্বস্তিতে থাকবেন। এ ব্যাপারে লিখিত গ্যারান্টি দিলাম। এই গ্যারান্টিনামাকে হাসি দিয়ে উড়িয়ে দেবেন না, দোহাই।
বাঁকা চাঁদের হাসিতে, দাওয়াত দিলাম আসিতে
আমরা যারা বড় হওয়ার পর নানা কারণে হাসি না, তারাও ছোটবেলায়, ঈদে-চান্দে ব্যাপক হাসিখুশি থাকতাম। একটা ঈদকার্ড পেলে আনন্দে লাফালাফি করতাম। কার্ডে প্রিন্ট করা বা হাতে লেখা থাকত— ‘বাঁকা চাঁদের হাসিতে, দাওয়াত দিলাম আসিতে।’ আমরা যেতাম। খেতাম। পেতাম সেলামি। সেমাইয়ের ঘ্রাণে যতটা প্রাণ জুড়াত, তারচেয়ে বেশি খুঁজতাম কড়কড়ে নতুন টাকার ঘ্রাণ। নতুন পাঞ্জাবি বা জামায় ভাঁজ থাকুক, সেলামির নতুন নোটে যেন ভাঁজ না পড়ে, সেটা নিয়ে টনটনে টেনশন কাজ করতো।
ঈদের আগের সন্ধ্যায় ভাই-বোনসহ পাড়ার সমবয়সিরা দল বেঁধে আকাশের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকতাম ‘বাঁকা চাঁদ’ দেখার আশায়। কারো নজরে এলেই সবার মুখে হাসি ফুটত—এসব গল্প অনেকেরই জানা। ‘জেনজি’ থেকে পরবর্তী প্রজন্ম যারা, তাদের অনেকেই হয়তো এখন জানলো। তাতে কী চাঁদ যেমন একটাই, হাসিও হতে হয় তেমন অকৃত্রিম।
সময় বদলেছে। ধীরে ধীরে চাঁদ দেখা কমিটির চাইতে ‘ফাঁদ দেখা কমিটি’র আনাগোনা বাড়ল। এই কমিটি ঈদের আনন্দ মাটি করে দেয়, ঈদযাত্রায় বাস-লঞ্চের ভাড়া বাড়িয়ে, ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি করে, ভিড়ের মধ্যে পকেট কেটে। সেজন্যই মনে হয়, আকাশে বাঁকা চাঁদ দেখে আমাদের মুখে আগের মতো আনন্দের অকৃত্রিম হাসি আর আসে না। তাই বলে কি আমরা হাসব না? এ কি! ছি ছি। হাসতে আমাদের হবেই। কারণ হাসি সর্বরোগের মহা ওষুধ। শরীরে রোগ বাধিয়ে বসে থাকব? তা হয় না। আমরা তো বুদ্ধিমান। বুদ্ধিমতী। নিজের ক্ষতি কেন চাইব? তাই, হা হা হা। হি হি হি। হো হো হো। এই দেখুন, কৌশলে আপনাকে এক ডোজ ওষুধ খাইয়ে দিলাম ফ্রি! এবার খুশি তো?
প্রমোশন স্মাইল বনাম মোশন স্মাইল
আমরা যারা হাসি না, তাদের ধরে ধরে শাস্তি হিসেবে দরকারি হোক বা সরকারি একটা ‘চাকরি’ দেওয়া উচিত। কারণ অফিসে কাজ করুক-বা না করুক, বসের নিরামিষ জোকস শুনে হাসবে না তা হবে না, তা হবে না। অফিস পাড়ায় বসের পচা জোকস শুনে হাসাটা হলো ইনক্রিমেন্ট বা প্রমোশন পাওয়ার প্রাথমিক যোগ্যতা। বস যদি বলেন, ‘জানেন, কাল আমার শ্যালিকার পোষা কবুতরটা আমাকে ইয়েস বস বলেছে।’ তবে অফিসের পিয়ন থেকে জিএম এমনভাবে হাসবেন যেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এইমাত্র পাঠ করা হয়েছে। এই হাসির নাম ‘প্রমোশন স্মাইল’! অফিসের কর্মীদের এই হাসি এতটাই নিখুঁত, এতটাই সমন্বিত যে, মনে হয় এটি দীর্ঘমেয়াদি কোনো প্রশিক্ষণের ফল। অন্যদিকে ‘মোশন স্মাইলও’ পিছিয়ে নেই। ডাক্তার যখন ইউটিউবে এসে ‘কমেডি রিল’ বানান বোঝা যায় ‘লাফটার ইজ দ্য বেস্ট মেডিসিন।’
তারপরও এত দাম দিয়ে ওষুধ খেতে হয় কেন আমাদের? পথ্যের দামের তথ্য জেনে মুখের হাসি বন্ধ হয়ে বুকের ব্যথা বাড়ে। শুরু হয় নতুন বিপদ। অবশ্য আমরা এখন অন্যের বিপদে হাসতে ভালোবাসি। কেউ ড্রেনে পড়ে গেলে তাকে তোলার আগে আমরা স্লো মোশনে ‘কনটেন্ট’ বানানোর জন্য মোবাইল উঁচিয়ে ধরি। বোন হোক বা ভাই, ভাইরাল হতেই হবে হেসে না হোক, কেঁদে হলেও।
স্বস্তির কথা, বর্তমান বাজারে সবকিছুতে ভ্যাট বসলেও হাসি এখনও ফ্রি। আসলেই কি ফ্রি? নাহ্! কারণ মানুষ এখন নিজের জন্য কম, অন্যের জন্য বেশি হাসে। নিজের কষ্ট গোপন করার জন্য হাসে, অন্যের প্রত্যাশা পূরণের জন্য হাসে এবং কখনো কখনো নিজের দুর্বলতা আড়াল করার জন্য হাসে।
হাসি তাই এখন আর কেবল আনন্দের প্রতীক নয়। এটি একটি মুখোশ একটি মার্জিত, সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য মুখোশ। আমরা যারা হাসি না, দ্রুত মুখোশটা পড়ে নিন। সামাজিকতার মিছিলে শামিল হোন!
শেষের হাসি
ব্রিটিশ চলচ্চিত্র অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন বলেছিলেন, ‘হাসি ছাড়া একটি দিন মানে সেই দিনটা নষ্ট।’ তাই, আমরা যারা হাসি না, তাদের সম্পর্কে এতক্ষণ পেন (Pen) দিয়ে ‘প্যানপ্যান’ করাটা কি হাসির হলো নাকি হাস্যকর সেটা ভেবেই হাসি পাচ্ছে আমার। পাঠক, আপনিও হাসুন ভদ্রতার খাতিরে হলেও। কারণ ‘ভদ্রতার হাসি’ হলো সভ্যতার সবচেয়ে বড় অভিনয়। লেখাটা পড়ে মূল্যবান সময় নষ্ট করলেন, না হেসে দিনটা নষ্ট করার কোনো মানে হয়?