সারা বাংলা

টাঙ্গাইলে ইউপি নির্বাচন: মাস্ক নেই অধিকাংশ ভোটারের মুখে

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ষষ্ঠ ধাপে পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ চলছে। ভোট দিতে আসা অধিকাংশ ভোটারের মুখে নেই মাস্ক। শুধু তাই নয়, স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে একে অন্যের গা ঘেঁষে লাইনে দাঁড়িয়েছেন তারা। 

এছাড়াও নির্বাচনে দায়িত্বপালনকারী পোলিং ও অনেক আনসার সদস্যকে মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। এতে করে করোনা সংক্রমণের আশংকা রয়েছে।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। 

মির্জাপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা হিরা মিয়া নামের এক আনসার সদস্য বলেন, 'প্রায় ভোটারের মুখেই মাস্ক নেই। সবাই গা ঘেঁষে লাইনে দাঁড়িয়েছে।'

এ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার লুৎফর রহমান বলেন, 'মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা ভোটারদের জানাবেন। এটা মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমরা তারপরও ভোটারদের মাস্ক পরতে বলতেছি। জায়গা কম থাকায় দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না।’ 

আলমনগর ইউনিয়নের মাদারজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আসলাম তালুকদার বলেন, 'অনেকেই মাস্ক নিয়ে আসেনি। আমরা ভোটারদের বলছি মাস্ক নিয়ে আসতে।'

ভোটার হামেলা বেগম বলেন, 'পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে দ্রুত বের হয়েছি। এজন্য মাস্ক আনতে মনে নেই।’ 

খলিলুর রহমান নামের অপর এক ভোটার বলেন, 'মাস্ক আনতে মনে নেই। অনেকেই মাস্ক পরেনি। আমাদের কোনো সমস্যা হয় না। আর কেন্দ্রের কোনো কর্মকর্তাই আমাদের মাস্ক আনতে বলেনি।'

জানা যায়, উপজেলার মির্জাপুর, আলমনগর, হাদিরা, নগদাশিমলা এবং ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হচ্ছে। এ পাঁচটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর সাধারণ সদস্য পদে ১৫৫ জন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৫১ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। পাঁচটি ইউনিয়নে ৫০টি কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৩ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৫৮ হাজার ৮৯২ আর নারী ভোটারের সংখ্যা ৫৮ হাজার ১৮১ জন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান বলেন, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। এখনও কোথাও ঝামেলার সৃষ্টি হয়নি।’