চলতি শীত মৌসুমে তৃতীয় বারের মতো আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে। ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রীতিমতো জবুথবু অবস্থা প্রাণীকূলের। রাতভর হাড়কাঁপানো শীতের পর সকাল থেকে আরো বেশি ঠান্ডায় কাবু মানুষ।
হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় সকালে শীতের তীব্রতা চরমে পৌঁছেছে। তবে, দেরীতে হলেও বৃহস্পতিবার সূর্যের দেখা মিলেছে। সকাল ১০টার পর কুয়াশা কিছুটা কমলেও উত্তরের হিমেলে হাওয়ার কারণে শীতের দাপট খুব বেশি কমেনি।
প্রচন্ড শীতে সকালে কাজের সন্ধানে বের হওয়া মানুষের কষ্টের সীমা নেই। বিশেষ করে, গ্রামাঞ্চলে শীতের দাপট আরো বেশি। অনেকে চলমান বোরো মৌসুমে কৃষিকাজের জন্য বাইরে বের হয়ে শীতে কাজ না করতে পেরে ঘরে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। অনেকে কাজের ফাঁকে আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
এক সপ্তাহ ধরে যশোরের তাপমাত্রা ৭ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। শীতের দাপট খুব শিগগির কমবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
তীব্র শীতের মধ্যে অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন শীতবস্ত্র বিতরণ করলেও সরকারিভাবে এখনো কোথাও শীতবস্ত্র বিতরণের তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুজন সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণের কোনো তথ্য দিতে পারেননি।