সারা বাংলা

টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‎টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে মামলা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) মির্জাপুর উপজেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মো. সুজন মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম মাহবুব খানের আদালতে মামলার আবেদন করেন। বিচারক আবেদন আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানার (মির্জাপুর) অফিসার ইনচার্জকে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন।

বাদী মো. সুজন মিয়া নিজেই মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে আট নম্বর আসামি করে ৪৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

‎মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভকে। অন্য উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- কার্যক্রম নিষিদ্ধ মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর শরীফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক তাহারিম হোসেন সীমান্ত, তার ব্যক্তিগত সহকারী মীর আসিফ অনিক, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম, গোড়াই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ (পশ্চিম) সভাপতি হাজী হুমায়ূন কবির, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সদস্য খান আহমেদ জয়নাল।

মামলার বিবরণে আট নম্বর আসামি সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং ঢাকা দক্ষিণের সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপসের ব্যবসায়িক পার্টনার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন নিপীড়নের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

দায়েরকৃত মামলাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল বলে মন্তব্য করেছেন সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল। তিনি বলেন, “বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিরুদ্ধে আমার কোনো অবস্থান ছিল এমন অভিযোগ সারাজীবন তপস্যা করেও কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। শুধু তাই নয়, কোনো ধরনের অনৈতিক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে আমার সম্পৃক্ততা কিংবা ফান্ডিংয়ের প্রমাণও কেউ দিতে পারবে না। কারণ, আমি সারা জীবন কোনো অন্যায়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না।”

তিনি বলেন, “ইতিপূর্বে আমার বিরুদ্ধে যেসব ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সবই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না এবং ভবিষ্যতেও হবে না।”