কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনের মধ্যে ৩টি আসন- ৪, ৫ ও ৬ এর এমপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা শেষে মোট ২৯জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই স্বতন্ত্রপ্রার্থী।
জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লার নেতৃত্বে চলে এ যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। এ সময় পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র বাতিলের পেছনে শতকরা ১ ভাগ ভোটারের স্বাক্ষরের গরমিল থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। তাছাড়া, কয়েকজন প্রার্থীর সম্পদের হিসাব, হলফনামায় ত্রুটি ও মামলার তথ্য গোপনের কারণ দেখানো হয়।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে জেলার একমাত্র স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের কাজী রেহা কবির সিগমা, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্রপ্রার্থী, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতা হাসনাত কাইয়ুম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী) শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল রয়েছেন।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই উপলক্ষে সকাল থেকে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থকরা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের সামনে ভিড় করে। রবিবার (৪ জানুয়ারি) কিশোরগঞ্জ-১, ২ ও ৩ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, “বাতিল হওয়া সবাই নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করার সুযোগ পাবেন।”