সারা বাংলা

গোপালগঞ্জে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল, ২ জনের স্থগিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের সংসদীয় তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার তিন‌টি আস‌নে ম‌নোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই‌য়ে মোট ৩৮ প্রার্থীর ম‌ধ্যে ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং ২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া ২৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পযর্ন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের হলরুমে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান। এতে ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং ২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া ২৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন তিনি।

বাতিল হওয়ায় প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ করতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।

গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর একাংশ) আসনে ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়ন বাতিল এবং ৯ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্যা, জামায়েতের প্রার্থী মো. আব্দুল হামিদ, ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মিজানুর রহমানসহ ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোট ভোটারের এক শতাংশ সমর্থন সূচক স্বাক্ষর সঠিক না থাকায় আশরাফুল আলম, নাজমুল আলম ও মো. কাইয়ুম আলি খানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ঋণ খেলাপির অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত মো. কাবির মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর ও কাশিয়ানীর একাংশ) আসনে ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের মনোনয়ন বাতিল এবং ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। বাতিল হওয়া ৬ জনই স্বতন্ত্র প্রার্থী।

বিএনপি প্রার্থী ডা. কে এম বাবর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা তসলিম হোসাইন সিকদার, জাকের পার্টির অ্যাভোকেট মাহমুদ হাসানসহ ৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা।

এছাড়া বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন-কামরুজ্জামান ভূইয়া, শিপন ভূইয়া, রনি মোল্লা, মশিউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম ও উৎপল বিশ্বাস। এর মধ্যে ৫ জনের ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না থাকায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়। উৎপল বিশ্বাসের মনোনয়ন বাতিল করা হয় ঋণ খেলাপি ও স্বাক্ষর সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে।

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া) আসনে ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের মনোনয়ন বাতিল, ২ জনের মনোনয়ন স্থগিত এবং ৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

বিএনপি প্রার্থী এস এম জিলানী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মারুফ শেখ, এনসিপির আরিফুল দাড়িয়া, গণঅধিকার পরিষদের আবুল বশারসহ ৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক ও রওশন আরার ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সঠিক না থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। নতুন ব্যাংক হিসাব না থাকায় গণফোরাম মনোনীত দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস এবং হলফনামায় সম্পদের হিসাব না দেওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত আ. আজিজের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে।