বরগুনার পাথরঘাটা পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির বজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে পৌর শহরের ঈমান আলী সড়কে অবস্থিত তার মালিকানাধীন ফার্মেসি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় হওয়া মামলার আসামি হিসেবে বজলুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পাথরঘাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাথরঘাটায় জামায়াত ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। এসব ঘটনায় একাধিক মামলাও হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘দুই বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখমের মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি জামায়াত ইসলামীর নেতা বজলুর রহমান। তাই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’’
গত ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের খলিফারহাট চৌরাস্তা এলাকায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সরোয়ার হোসেন ফারুক এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম বেপারী গুরুতর আহত হয়। তারা বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ওই ঘটনায় সেলিম বেপারীর স্ত্রী শাহানাজ পারভীন বাদী হয়ে ১৪ জানুয়ারি পাথরঘাটা থানায় ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। বজলুর রহমান ওই মামলার ৫ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
বরগুনা-২ (বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদ বলেন, ‘‘সংঘর্ষের ঘটনায় তাদের পক্ষ থেকেও থানায় মামলা করা হয়েছিল। পাল্টাপাল্টি মামলার পর প্রশাসন বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দেয়। এরপরও পৌর জামায়াতের আমিরসহ অন্তত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’’