গাইবান্ধার সদর উপজেলায় অবৈধভাবে পাচারের সময় ও মজুদ করা মোট ৫৪ বস্তা সার (ডিএপি) উদ্ধার করা হয়েছে। অবৈধভাবে সার মজুদের অপরাধে তিন খুচরা সার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহাঙ্গীর আলম বাবু ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
সদর উপজেলার তুলসীঘাট বাজারের খুচরা সার ও কিটনাশক ব্যবসায়ী খাজা মিয়া, একই বাজারের খুচরা সার ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসেন এবং নির্মল বাবুকে জরিমানা করা হয়েছে।
গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল আলম জানান, শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে অবৈধভাবে পাচারের সময় ২০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। সেই সার পাচারের সূত্র ধরে রবিবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহাঙ্গীর আলম বাবুর নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। তুলসীঘাট বাজারের খুচরা সার ব্যবসায়ী খাজা মিয়া, শাহাদাত হোসেন ও নির্মল বাবুর ঘর থেকে ৩৪ বস্তা সার (ডিএপি) উদ্ধার করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের সতর্ক করেন এবং ২০ হাজার টাকা নগদ জরিমানা করা হয়।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের কদমতলী নামক স্থানে ভ্যানগাড়িসহ ২০ বস্তা সার আটক করে সদর উপজেলা কৃষি বিভাগ।
সারের বিষয়ে জানতে চাইলে ভ্যান চালক মেহেদী বলেন, ‘‘তুলসীঘাটের খাজা মিয়ার ঘর থেকে সারগুলো কামারজানি বন্দরের সার ব্যবসায়ী মনির মিয়ার কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়। খাজা মিয়া আমাকে চালানের রশিদ দেননি।’’