ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনার পাঁচটি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রতীক বরাদ্দ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. শাহেদ মোস্তফা। জেলার বাকি দুই আসনে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে আগামী ২৭ জানুয়ারি।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন পাবনা-১ ও ২ আসনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করেছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ দুই আসনে ভোটগ্রহণ দেশের অন্য আসনগুলোর মতো ১২ ফেব্রুয়ারি হবে। তবে, মনোনয়নসহ অন্যান্য কার্যক্রমের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন তফসিল অনুযায়ী, ১৮ জানুয়ারি রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ধার্য ছিল। ১৯ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল দায়েরের সুযোগ রয়েছে। এই আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ২৫ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ জানুয়ারি। ২৭ জানুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।
সীমানা জটিলতায় রিট পাল্টা রিটে এ দুই আসনের নির্বাচন ঝুলে যায়। হাইকোর্টের নির্দেশে, গত ৬ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচন স্থগিত রাখতে সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে পাবনা–১ আসনের এক প্রার্থীর করা লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে ১৫ জানুয়ারি ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আগের সীমানায় নির্বাচনের আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্ট।
পাবনা-১ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন সাতজন। বাছাই শেষে বিএনপি ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থীসহ ৪ জনের বৈধ ঘোষণা করা হয়। পাবনা-২ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ৫ জন। এ আসনে সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।