জেলে বসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতীক নিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতস্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুল। জেলা রিটারিং কর্মকর্তা আরিফ উজ্জামানের কাছ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের প্রতীক নেন তার ভাই নাজমুল আলম। তিনি পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক।
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে গোপালগঞ্জ তিনটি আসনের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে একটি মামলায় কারাগারে থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুল উপস্থিত ছিলেন না। তার পক্ষে প্রতীক নেন তার প্রস্তাবকারী। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের ভাই নাজমুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের বাবা খায়রুল বাকী মিয়া ১৯৮৫ সালে মুকসুদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। বাবার সুনাম আর ব্যক্তিগত ইমেজ কাজে লাগিয়ে তিনি ২০০৯ সালে উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান এবং পরে ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সর্বশেষ মুকসুদপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। এ পর্যন্ত তিনি যতগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন পরাজিত হননি।
আশ্রাফুল আলম শিমুল কোনো দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) আশরাফুল আলম শিমুলকে শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে রিয়াজ মোর্শেদ অপু হত্যা মামলায় তাকে ওই দিন গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই হুমায়ুন কবীর জানান।
ওই কর্মকর্তা জানান, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীর মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের কাছে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান অপু। ওই ঘটনায় তার খালা রুমা বেগম গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২২ অক্টোবর এ মামলা থেকে ১৬ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের ভাই নাজমুল আলম বলেন, ‘‘জনগণের ভোট হচ্ছে বড় প্রাপ্তি একজন প্রার্থীর জন্য। জনগণের ভালোবাসা আর ভোটের কোনো কমতি হবে না এটাই আমরা বিশ্বাস করি। নির্বাচনে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এটাই স্বাভাবিক। আচারণবিধি সম্পর্কে আমরা যা শুনলাম তাতে মনে হয়, এ আসনে নিরপেক্ষভাবে লেভেল ফিল্ড প্লেইং নিশ্চিত হবে, আমরা সেটাই বিশ্বাস করি।’’