চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব কর্মকর্তা ডিএডি মো. মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. মিজান এবং সন্দেহভাজন হিসেবে মো. মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গত ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী এবং বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাবের -৭-এর সহকারী পরিচালক মিডিয়া এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় র্যাব। এ সময় দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালালে চার র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক একজন র্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়।
এ ঘটনায় র্যাব-৭ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় হত্যা মামলা করে। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং ১৫০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
র্যাব-৭-এর ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৫ জানুয়ারি মামলার ১৬ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি মো. মিজানকে খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বয়স ৫৩ বছর। তিনি চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানার নরুমপুর এলাকার বাসিন্দা।
গত ২৬ জানুয়ারি ভোরে বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন আসামি মো. মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বয়স ৩৮ বছর। তিনি সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার বাসিন্দা।
র্যাবের সহকারী পরিচালক মিডিয়া এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।