রাঙামাটিতে নারী সহকর্মীকে প্রতারণার মাধ্যমে ধর্ষণ এবং তার ভিডিওচিত্র ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে দিদার আলমকে গ্রেপ্তার করেছে রাঙামাটির কোতয়ালি থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার তাকে রাঙামাটি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দিদার আলম উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের পরিদর্শক। একই অফিসে কর্মরত ওই নারী সহকর্মী সহকারী পরিদর্শক হিসেবে কাজ করছেন।
ঘটনার শিকার নারী কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেছেন, অভিযুক্ত দিদার তাকে ধর্ষণ করে ধর্ষণের ভিডিওচিত্র ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইলিং করছেন। প্রথমে নিজ বাসায় অফিসের কাজের সময় ঘটনা ঘটলেও পরবর্তীতে আসামবস্তি এলাকায় জনৈক আলো বড়ুয়ার বাসায় একাধিকবার তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগি।
অভিযুক্ত দিদারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ও পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হওয়ায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কোতয়ালি থানা পুলিশ।
কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসিম উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগি নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযুক্তকে আটক করেছি। তার কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে আদালতে হাজির করা হবে।