বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রথমবারের মতো নির্বাচনি প্রচারণায় যশোর যাচ্ছেন। তিনি এদিন দুপুরে যশোর উপশহর কলেজ মাঠে দলের নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করবেন।
দলের চেয়ারম্যানের এই আগমনকে কেন্দ্র করে গোটা যশোরাঞ্চলের বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ ও উৎসাহ উদ্দীপনার পাশাপাশি উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। মাঠ প্রস্তুতির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রেসক্লাবে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ (সদ) আসনে ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।
এ সময় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরো বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তারেক রহমান যশোরে আসছেন। তিনি দুপুর দেড়টা নাগাদ হেলিকপ্টার যোগে যশোর আসবেন। তারেক রহমান যশোর, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া- এই সাত জেলার ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন। আগামীতে বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে সেক্ষেত্রে দলের কর্মপরিকল্পনা অর্থাৎ দেশ ও জাতি এবং সমাজের সকল শ্রেণির পেশার মানুষের জন্য বিএনপির ভাবনাগুলো তুলে ধরবেন।
তিনি বলেন, প্রথমবারের কোনো রাজনৈতিক দল শহরের বাইরে সমাবেশ করছে। তারেক রহমানকে ঘিরে মানুষের যে আবেগ এবং উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে, সেক্ষেত্রে আমরা যদি শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে তার জনসভার আয়োজন করতাম তাহলে পুরো শহরজুড়ে মানুষ অবস্থান করতেন। এরমধ্যে দিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতো যা মানুষের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতো। আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি। তাদের কষ্ট এবং বিরক্তি বিবেচনায় নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে শহরের বাইরে সমাবেশটি করছি।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, খুবই স্বল্প সময়ের নোটিশে জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার সন্তান তারেক রহমানকে ঘিরে সারাদেশে যে আবেগ সৃষ্টি হয়েছে, যশোর তার বাইরে নয়। ঐতিহাসিক জনসভা অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচনীবিধি মেনে। আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুকে স্মরণ করে আমরা আড়ম্বর পরিহার করছি। আমরা আশা করছি যশোরবাসীর সহযোগিতায় স্মরণকালের বৃহত্তম সমাবেশ আয়োজন করতে সক্ষম হবো।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সাবেক প্রচার সম্পাদক অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত প্রমুখ।