খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে মোট ২০৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮৫টি ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৬৩টি।
খাগড়াছড়ি পুলিশের বিশেষ শাখা ( ডিএসবি) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ বিষয়টি জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন,“মোট ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬৩টিকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’, ১২২টি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং মাত্র ১৮টি কেন্দ্র ‘সাধারণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।”
জাতীয় সংসদের ২৯৮ নম্বর আসনটি হলো খাগড়াছড়ি। পাহাড়ি এ জেলার দুর্গম এলাকা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পূর্বের নির্বাচনি অভিজ্ঞতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রার্থীদের নির্ধারিত কেন্দ্র এবং স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক অবস্থার আলোকে ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে জানা যায়।
খাগড়াছড়ি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন বলেন, “পুলিশের বিশেষ শাখা খাগড়াছড়ির কেন্দ্রগুলোকে সাধারণ, ঝুঁকিপর্ণূ ও অধিক ঝূঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করেছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণের জন্য আমরা সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আশাকরি শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ করতে পারব।”
খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার (এসপি) সায়েম মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, “ভৌগলিক অবস্থান ও প্রার্থীরা যে কেন্দ্রগুলোতে ভোট দেবেন সেগুলোকে আমরা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে থাকি। প্রতিটি কেন্দ্রে নির্ধারিত সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। যেসব কেন্দ্র অতি ঝুঁকিপূর্ণ সেখানে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন, টহল জোরদার এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে।”
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত জানান, গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নির্দেশ মোতাকেব কাজ করে যাচ্ছেন। প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন। কোনোভাবে যাতে নির্বাচনি আচারণবিধি প্রার্থীরা লঙ্ঘন করতে না পারেন, সেজন্য মাঠে ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন। খাগড়াছড়িতে সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারেবেন এমনটি আশা করছেন তিনি।
খাগড়াছড়ি জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি জেলায় মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৮০ হাজার ২০৬ জন এবং নারী ভোটার আছেন ২ লাখ ৭৩ হাজার ৯০৪ জন।