সারা বাংলা

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ, বরখাস্ত ৩

ময়মনসিংহের ভালুকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দিয়ে নিজেরাই এজেন্ট সেজে বসে থাকা ও ভোটারদের প্রকাশ্যে ভোট প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও দুজন পোলিং অফিসারকে বরখাস্ত করা হয়েছে।   

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভালুকা উপজেলার বিরুনীয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্র গিয়ে এ প্রতিবেদক দেখতে পান, প্রতিটি বুথে এজেন্ট পরিচয়ে বসে আছেন কয়েকজন যুবক। কিন্তু তাদের পরিচয়পত্রে নিজের নাম লেখা নেই, বা কোন প্রার্থীর এজেন্ট তা-ও উল্লেখ নেই। শুধু প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিরুনীয়া কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মুজিবুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘‘আমি একটু অসুস্থ বোধ করছিলাম, তাই খেয়াল করতে পারিনি।’’ এ সময় সংবাদকর্মীদের সামনেই এজেন্টদের তিনি নিজেদের প্রতীকের নাম লিখতে অনুরোধ করেন। 

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলম মুঠোফোনে বলেন, ‘‘অনেক কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্টদের বের করে দিয়ে এগুলো করছে ধানের শীষের প্রার্থীর সমর্থকরা। এটা প্রহসনের নির্বাচন।’’ 

এ দিকে, উপজেলার কংশেরকূল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মো. মোর্শেদ আলমের এজেন্টদের বের করে দেওয়া ও প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ায় সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও দুজন পোলিং অফিসারকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার ফিরোজ হোসেন। 

ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘‘প্রকাশ্যে ভোট প্রদানে বাধা না-দেওয়ায় কংশেরকূল উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও দুজন পোলিং অফিসারকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’’

এ সময় বিরুনীয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের ঘটনা প্রসঙ্গে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘‘বিরুনীয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’