সারা বাংলা

শরীয়তপুর-১: নির্বাচন পরবর্তী শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জামায়াতের প্রার্থীর

শরীয়তপুর-১ (সদর ও জাজিরা) আসনে নির্বাচিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের প্রতি সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, জামায়াতে ইসলামী জোটের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমদ।

এছাড়াও, তার সমর্থকদের ওপর যেন কোনো ধরনের হামলা বা আঘাত না আসে, সে বিষয়ে বিজয়ী পক্ষ ও প্রশাসনকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান জালালুদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে জালালুদ্দিন আহমদ জানান, তার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকে বাড়ি ফিরতে ও দোকানপাট খুলতে ভয় পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, “বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম বিজয়ী হয়েছেন। তাকে এবং তার দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাই, এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখবেন এবং কোথাও যেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের বাড়ি-ঘরে হামলা বা আঘাত না হয়।”

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিও তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবে; এটাই স্বাভাবিক। তবে কোনো সমর্থক যাতে হেনস্তা বা আক্রমণের শিকার না হন, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে।”

নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তার নির্বাচনি এলাকার কয়েকটি কেন্দ্রে জাল ভোট পড়েছে। কয়েকটি কেন্দ্রে তাদের পোলিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং অনেক স্থানে এজেন্টই ছিল না।

জালালুদ্দিনের দাবি, কয়েকটি কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার সময় সেনাবাহিনী সদস্যরা কিছু ব্যক্তিকে আটকও করেছে। তার অভিযোগ, একাধিক কেন্দ্রে অনিয়মের মাধ্যমে তাদের ‘সুনিশ্চিত বিজয়’ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলা নিয়ে গঠিত শরীয়তপুর-১ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম বেসরকারিভাবে ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জালালুদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট। অপর প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬৮১ ভোট।