সারা বাংলা

দিনাজপুর-৬ আসনে জয়-পরাজয় নিয়ে দুই প্রার্থীর ভিন্ন মত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৬ আসনে জয়-পরাজয় নিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন বিএনপি ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী।

দীর্ঘ ১৮ বছর পর ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন, উল্লেখ করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, “জনগণ নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। জনগণ ধানের শীষ প্রতীকে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

তিনি বলেন, “বিগত সময়ে দেশের মানুষ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত ছিল। অনেক নেতা-কর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, অনেকে গুম ও নিহত হয়েছেন। আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। বিশেষ করে, দিনাজপুর-৬ আসনের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করব।”

অন্যদিকে, জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেছেন, “নির্বাচনে ৯ হাজার ৩টি ভোট বাতিল হয়েছে। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে কি না, এমন প্রশ্ন রয়ে গেছে।” 

তিনি বলেন, “নির্বাচিত হলে এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে কাজ করার অঙ্গীকার ছিল।”

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েও জয়ী হতে পারেননি তিনি। এবারের নির্বাচনে তিনি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭১৯ ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার পরাজিত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম ফুল দিয়ে বিজয়ী প্রার্থী ডা. জাহি

দকে অভিনন্দন জানান। এ সময় উভয়েই এলাকার সার্বিক উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।দিনাজপুর-৬ আসনের (হাকিমপুর, বিরামপুর, নবাবগঞ্জ ও ঘোড়াঘাট) চার উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মোট ২ লাখ ৩ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭১৯ ভোট।