হবিগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে রোজার আগের সপ্তাহে লেবুর হালি ছিল কম-বেশি ২০ টাকা। প্রথম রোজার আগের দিন থেকে হঠাৎ লাফিয়ে বাড়ে দাম, যা শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা পর্যন্ত হালি। সে হিসাবে লেবুর দাম হালিপ্রতি বেড়েছে ৯০০ শতাংশ।
ইফতারির অন্যতম অনুষঙ্গ লেবুর এমন অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।
মনু মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, “রমজানে লেবু ছাড়া ইফতারি অসম্পূর্ণ মনে হয়। কিন্তু এবার দাম বেশি হওয়ায় লেবু ছাড়াই ইফতারি করতে হচ্ছে।”
বিক্রেতা সবুজ মিয়া বলেন, “রোজার আগে লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা ছিল, বর্তমানে তা ৪০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো বাজারে মানভেদে দাম আরো বেশি নেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ কম, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও চাহিদা বেশি হওয়ায় লেবুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।”
লেবুচাষি নূরুল ইসলাম বলেন, “বর্তমানে লেবুর উৎপাদন কম হওয়ায় দামের ঊর্ধ্বগতির একটি কারণ। বর্তমানে এক হাজার লেবু কমপক্ষে ৭ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে সেটা ১১ থেকে ২০ হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে উৎপাদন বাড়বে। তখন দামও কমে যাবে।”
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আকতারুজ্জামান বলেন, “বর্তমানে চাষিরা সেচের মাধ্যমে লেবুর ফলন অব্যাহত রেখেছেন। বৃষ্টি হলে উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমবে।”