বাগেরহাটের কচুয়ায় কুপিয়ে এক তরুণের হাত-পা বিচ্ছিন্নের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের সম্মানকাঠি গ্রামের কবিরের বাগান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই তরুণকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয় পুলিশ। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
ওই তরুণের নাম মো. রহমতউল্লাহ শেখ (২৮)। তিনি কচুয়া উপজেলার চর সোনাকুর গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে।
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে থাকা অবস্থায় রহমতউল্লাহ বলেন, “চর সোনাকুর গ্রামের একরাম শেখের ছেলে ইসরাফিল ও ইয়াসিন এবং তাদের সহযোগী ইব্রাহিম আমাকে মেরেছে ও কুপিয়েছে।”
রহমতউল্লাহর বাবা আবদুল মতিন বলেন, “জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে কামরুল, ইসরাফিল, ইয়াসিনসহ কয়েকজন আমার ছেলেকে মেরেছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করেছে ফেলেছে। দুই পা–ও প্রায় বিচ্ছিন্ন হওয়ার অবস্থায় রয়েছে।”
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদাউস বলেন, “দুই হাত ও দুই পা গুরুত্বর জখম অবস্থায় রহমতউল্লাহ নামের এক তরুণকে এখানে আনা হয়। তার একটি হাত ও একটি পা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। অন্য একটি পাও বেশ বিচ্ছিন্ন। এ ছাড়া মাথা, হাঁটুসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম রয়েছে। অবস্থা বেশ সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়েছে।”
কচুয়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই তরুণকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”