ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে উপজেলায় নিখোঁজের এক দিন পর তাবাসসুম (৫) নামের এক কন্যা শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেফটিক ট্যাংক থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
তাবাসসুম মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে। তার পরিবার কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার এলাকার বাদেডিহি গ্রামে ভাড়া বাসায় বাস করে।
স্থানীয়রা জানায়, তাবাসসুমের বাবা নজরুল হোসেন স্থানীয় একটি দর্জির দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন এবং মা হালিমা খাতুন একটি বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) কর্মরত। বুধবার বিকেল ২টার পর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাচ্ছিল না।
প্রতিবেশী পার্থ সরকার জানিয়েছেন, তিনি বৃহস্পতিবার সকালে বাদুরগাছা গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছন দিয়ে মাঠে যাওয়ার সময় একটি বস্তা দেখতে পান। এতে রক্ত দেখা যায়। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তিনি পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে বস্তা খুলে একটি শিশুর লাশ উদ্ধার করে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিশুটি ধর্ষণের শিকার হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে হত্যা করে বস্তায় ভরে সেফটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।